স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশর অবিসাংবাদিত নেতা তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, আপোষনহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (০৩ জানুয়ারি) রাত ৮টায় পবার হড়গ্রাম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড পশ্চিম বালিয়ার এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুরের বিএনপি মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন। মিলন তার অশ্রু ভেজা কন্ঠে বলেন, প্রিয় নেত্রীর কথা বলতে গেলে বুকে চাঁপ ধরে যাচ্ছে, হারিয়ে ফেলছি মুখের ভাষা। শোকে যেনো বুকটা পাথরের মতো ভার হয়ে আছে। বিএনপির অভিসংবাদিক নেতা, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ ত্যাগ তিনি স্বীকার করেছেন। এমন কোন নির্যাতন নাই তিনি সহ্য করেননি। সেই ১৯৬০ সালে তাঁর বিয়ে হয়েছিলো। ১৯৬৫ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হয়েছিলো। তখন থেকে তিনি কষ্ট করে আসছিলেন। কারো বাড়িতে সেনা সদস্য থাকে তাহলে সেই বাড়ির লোকজন অনেক উৎকণ্ঠায় থাকে। ১৯৬৫ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হয়েছিলো, সে সময়ে মেজর জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করেছিলেন। তখন থেকেই বেগম জিয়া অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে কাজ করে গেছেন।
তিনি আরো বলেন, জামায়াতের প্রার্থী দুর্নীতি করবেনা বলে বিভিন্ন স্থানে বক্তব্যে দেন। তাহলে তিনি দুর্নীতি করেছেন নিশ্চয়। তিনি দীর্ঘ সাতাশ বছর চেয়ানম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। হাট-ঘাট ও অন্যান্য উৎস থেকে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে প্রদান করা হয়। সেই অর্থ কিভাবে ব্যায় করেছে তার কোন হিসাব তিনি দিতে পারবেনা। তিনি মসজিদের জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। শুধু তাইনয় তিনি মসজিদের অন্যান্য জমিও বিক্রি করার পাঁয়তারা শুরু করেছিলেন। এলাকাবাসীর বাধায় তিনি তা করতে পারেননি। তিনি মিনিমাম চল্লিশ কোটি টাকা পেয়েছেন। এই টাকায় কোথায় কোথায় উন্নয়নমূলক কাজ করেছেনে কেউ বলতে পারবেনা। এর হিসাব এক সমওয়ে ঠিকই দিতে হবে বলে জানান তিনি। জামায়াতের নেতারা বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করছে। আল্লাহ যদি না চান, তাহলে কি কেউ বেহেস্তে কিংবা দোজখে যেতে পারবেন। মানুষকে ধোকা দেয়া থেকে বিরত থাকার জন্য জামায়াতের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্য শেষে বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এসময়ে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।