সোমবার

৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
বিএমডিএ’র ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা নতুন সরকারের অধিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : রিটন রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক কিশোর দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি হল ভ্যাকসিন, মানবদেহে সফল পরীক্ষা বাগমারার তাহেরপুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ পাবনায় নতুন বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে : শিল্পমন্ত্রী নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফ’র পুশইনের অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিলো বিজিবি

বাংলা নববর্ষে রাজশাহীতে এবার ইলিশের চাহিদা ছিল কম

Paris
Update : মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলা নববর্ষ বাঙালির আবেগ, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক। দিনটি ঘিরে নানা আয়োজন থাকলেও এক জায়গায় সবার ভাবনা মিলে যায়, পান্তা-ইলিশ। প্রতি বছর এই দিনকে কেন্দ্র করে ইলিশের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। তবে এবার রাজশাহী নগরের বাজারগুলোতে দেখা গেছে কিছুটা ভিন্ন চিত্র। ক্রেতাদের মাঝে ইলিশ কেনার আগ্রহ তেমন দেখা যায়নি। নগরীর বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ীরা ইলিশ সাজিয়ে রাখলেও অধিকাংশ ক্রেতা মাছ দেখেই ফিরে যাচ্ছেন, আকাশ ছোয়া দামের কারণে তেমন একটা আগ্ৰহ লক্ষ করা যায়নি ক্রেতাদের মধ্যে। সোমবার (১৪ এপ্রিল) নগরীর সাহেব বাজার, নিউ মার্কেট, শালবাগান, নওদাপাড়া, সাগরপাড়া, তেরখাদিয়া সহ অন্যান্য বাজারের মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায়, ১৬০০ থেকে ২০০০ টাকাতে বিক্রি হচ্ছছ ইলিশ। তবে, ছোট ইলিশের দর ছিল ৮০০ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, অন্যান্য বছর পহেলা বৈশাখের দু-তিনদিন আগেই ইলিশের চাহিদা থাকত। কিন্তু এবার চাহিদা নেই বললেই চলে। দাম তুলনামূলকভাবে কম, প্রতি কেজি ৮০০-১৮০০ টাকার মধ্যে, তবুও বিক্রি একেবারেই মন্দা। ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতা শাহারিয়ার হোসেন বলেন, প্রতিবছর বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাই, এটা যেন একটা রীতি হয়ে গেছে। কিন্তু এবার বাজারে ইলিশ মাছের আমদানি তুলনামূলক কম। অন্যবারের চাইতে মাছের বহিরাবরণ ও মান খুব একটা ভালনা। কিন্তু দাম বেশ চড়া। মাঝারি সাইজের একটা ইলিশের দাম চাচ্ছে ১২০০ টাকা। পরিবারের অন্য খরচ সামলে ইলিশ কেনা কষ্টকর। মাছ ব্যবসায়ী সাহেব আলী বলেন, আমি গত ১০ বছর ধরে পহেলা বৈশাখের আগে ইলিশ বিক্রি করি। অন্যান্য বছর এ সময়ে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়ত। একদিনেই ২০-৩০ কেজি ইলিশ বিক্রি হতো। এবার সেই চিত্র নেই। দাম কমিয়ে দিয়েছি, তবু ক্রেতারা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। আমচত্বর এলাকার মাছের আড়ৎ সংলগ্ন মাছ বাজারের মাইনুল বলেন, বেলা গড়িয়ে দুপুর হয়ে গেলো, ইলিশ মাছের ক্রেতা তেমন একটা নেই। অধিকাংশরা মাছ দেখে চলে যাচ্ছেন। শিউলি আক্তার নামের এক বেসরকারি চাকরিজীবী নারী বলেন, ছুটির দিন স্পেশাল রান্না করবো। বাজার করতে এসেছি। কিন্তু ইলিশের দাম দেখে মন চাইলোনা কিনতে। পান্তা-ইলিশ খাবেন না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পান্তা-ইলিশে আমাদের আগ্রহ কম। বাচ্চাদের তেমন আগ্রহ নেই বলেই এবার বাড়িতে পান্তা-ইলিশের আয়োজন করিনি।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris