মঙ্গলবার

১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
প্রচণ্ড গরমে নগরীতে সামাজিক সংগঠন ‘হেল্প ডোর’র বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ জনতা ব্যাংক কাদিরগঞ্জ শাখার এটিএম বুথের উদ্বোধন রাজশাহী বহুমুখী বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন রাজশাহীর ডিসি জীবিকার তাগিদে একসময়ের যাত্রার নায়ক সামাদের কাঁধে এখন দোতারা রাজশাহীকে বাসযোগ্য শহর গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় আরডিএ’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের গোদাগাড়ীতে মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের শপথ আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইটের দায়িত্ব গ্রহণ

রাজশাহীতে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবী, তিন অপহরণকারী গ্রেফতার

Paris
Update : শুক্রবার, ১১ আগস্ট, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহী নগরীতে এক আইসিটি সেন্টারের মালিককে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবী করার ঘটনায় ৩ অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজশাহী নগরীর দামকুড়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে জোতরাবোন এলাকায় তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতাকৃতরা হলো, আকাশ আলী শিমুল (২৬), শফিকুল ইসলাম বাপ্পি (২৪) ও নূর ইসলাম (২৫)। আকাশ রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার চন্ডিপুরের বরজাহান আলীর ছেলে, শফিকুল ইসলাম একই এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে এবং নূর ইসলাম কোর্ট বুলুনপুরের রুহুল আমিনের ছেলে। বর্তমানে তিনি কাশিয়াডাঙ্গা থানার বালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
নগর পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজশাহীর নগরীর দামকুড়া থানার দামকুড়া হাট গোন্দিপুরের সৈয়দ মনিরুল ইসলাম একটি আইসিটি সেন্টারের মালিক। ওই আইসিটি সেন্টারের অংশীদার হওয়াকে কেন্দ্র করে মনিরুলের সাথে গ্রেফতারকৃতসহ অন্যান্য অন্যান্যদের বিরোধ চলছিলো। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে গ্রেফতারকৃত আকাশ, শফিকুল ও নূর ইসলাম বোয়ালিয়া থানার অলকার মোড়ে মনিরুলের আইসিটি ট্রেনিং সেন্টারে এসে তাকে চাকুর ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবী করে। চাঁদা না দিলে মাদক অথবা নারী দিয়ে ফাঁসিয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়।
মনিরুল চাঁদা দিতে না চাইলে আসামিরা তাকে অপহরণ করে কাশিয়াডাঙ্গা থানার বালিয়া গ্রামের একটি বাড়িতে আটক করে রাখা হয়। সেখানে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে মারধর করে এবং একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে মনিরুল ইসলামের স্বাক্ষর নেয়। এরপর আসামিরা মনিরুলের মোবাইল হতে তার ভাই মেহেদী হাসানের কাছে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবী করে এবং টাকা নিয়ে দামকুড়া থানার জোতরাবোন এলাকায় আসতে বলে। মেহেদী হাসান বিষয়টি দামকুড়া থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে নগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (কাশিয়াডাঙ্গা) বিভূতি ভূষন বানার্জীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (কাশিয়াডাঙ্গা) ড. রুহুল আমিন সরকারে নেতৃত্বে দামকুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মশিউর রহমান সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে মনিরুল ইসলামকে উদ্ধারসহ অপহরণকারীদের গ্রেফতারে অভিযানে নামে।
মেহেদী হাসান ঘটনার দিন রাত ৮টার দামকুড়া থানার জোতরাবোন এলাকায় মুক্তিপনের টাকা নিয়ে আসামিদের সাথে দেখা করতে গেলে দামকুড়া থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে আকাশ, শফিকুল ও নুর ইসলামকে আটক করে এবং ভিকটিম মনিরুল ইসলামকে উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, অন্যান্য অপহরণকারীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপহরণের ঘটনায় দামকুড়া থানায় সোপর্দ করে তাদের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris