সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত রাজশাহী নগরীতে নারীসহ ৮ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, মাদকদ্রব্য উদ্ধার নওগাঁয় শয়তানের নিঃশ্বাস চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার সাপাহারে বাড়িতে ঢুকে দম্পতির ওপর হামলা রুয়েটে তিনদিনের অ্যাক্রিডিটেশন মূল্যায়ন শুরু রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন ধোঁয়াশার বেড়াজালে আবদ্ধ প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ : সংসদের স্পিকার অলাভজনক-বন্ধ কারখানা নিয়ে বিশেষ রোড শোতে প্রধানমন্ত্রী রুয়েটের ছাত্র হল-২ এ চোর সন্দেহে যুবক আটক

বাগমারায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে লোকবল সংকটে খাজনা দিতে ভোগান্তি

Paris
Update : রবিবার, ১৮ জুন, ২০২৩

শামীম রেজা

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে লোকবল সংকটে জমির মালিকরা জমির খাজনা, খারিজ, নামজারিসহ জমির কাগজপত্রাদি সারতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন। উপজেলায় ৭টি ইউনিয়ন পর্যায়ে ভূমি অফিস রয়েছে। প্রতিটি অফিসে ৩ জন করে কর্মকর্তা থাকার কথা থাকলেও মাত্র একজন করে মিলছে। এমনকি একটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা দুইটি অফিসে দায়িত্ব পালন করছেন। অধিকাংশ অফিস গুলোতে কম্পিউটারের কাজ করার কোন লোক নেই। বাধ্য হয়ে অফিস সহায়ক দ্বারা কাজ চালিয়ে নেয়া হয়। স্থানীয়রা অবিলম্বে উপজেলার ভূমি অফিসে লোকবল নিয়োগের জন্য দাবী জানিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে লোকবলের ব্যাপক সংকট রয়েছে। উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরী যোগদানের পর উপজেলায় দ্রুত খারিজ, নামজারিসহ বিভিন্ন কাজ চলছে। কিন্ত ইউনিয়ন পর্যায়ে ভূমি অফিস গুলোর লোকবল সংকটে কাজ আটকে যাচ্ছে। যে সকল কাজ ইউনিয়ন ভূমি অফিস হয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আসবে তা পরিমিত লোকবল না থাকায় উপজেলা ভূমি অফিসের কাজে ব্যাপক স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। উপজেলার ভূমি অফিসের কাজে স্থবিরতার কারণে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব হারাতে বসেছে বলে এলাকার সচেতন মানুষ মত প্রকাশ করেছেন। ভুক্তভোগীরা দাবি করে জানান, জমির খাজনা, নামজারি ও খারিজ কাজে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের মাধ্যমে কাজ হয়ে থাকে। এসব অফিসে একজন সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) দুইজন উপসহকারী কর্মকর্তা ও তিনজন অফিস সহায়কের পদ রয়েছে। তবে বাগমারায় কোন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে পুরো লোকবল নেই। প্রতিটি অফিসে মাত্র একজন কর্মকর্তাসহ জোর দুইজন অফিস সহায়ক রয়েছে। এছাড়া উপজেলার তাহের একডালা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কোন সহকারী কর্মকর্তা (তহশীলদার) নেই। তাহেরপুর ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা বিজন কুমার দুইটির অতিরিক্ত কাজ করে থাকেন। লোকবল সংকটে ব্যাপক সমস্যায় পড়েন ভুক্তভোগী জমির মালিকগণ। এদিকে প্রতি নিয়তই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পড়তে হয় কম্পিউটারে কাজে বাড়তি ঝামেলায় সংশ্লিষ্টদের। উপজেলার দুই একটি অফিসে আইপিএস থাকলেও অধিকাংশ অফিসে আইপিএস না থাকায় কাজের গতি থমকে যায়।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চৌধুরী বলেন, অফিসে কাজের কোন ঘাটতি নেই। পরিমিত লোকবলের অভাবে একটু সমস্যা হয়। লোকবলের জন্য আবেদন করা হয়েছে। একই ভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ,এফ,এম আবু সুফিয়ানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই সব পদ গুলো অনেক দিন ধরে শূণ্য রয়েছে। নতুন করে কোন নিয়োগ না হওয়া পর্যান্ত সমস্যা দুর করা কঠিন বিষয়। এছাড়া আইপিএস সমস্যা দুর করতে ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris