ভারতে নারী বিচারপতির নিয়োগের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবীরা

Paris
Update : মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

এফএনএস
ভারতে মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে লক্ষমানা চন্দ্র ভিক্টোরিয়া গৌরীর নাম সুপারিশ করেছে কলেজিয়াম। অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে গৌরীর নিয়োগে ছাড়পত্রও দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। তার পরও তার নিয়োগের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন চেন্নাইয়ের একদল আইনজীবী। ওই আইনজীবীদের অভিযোগ, গৌরীর অতীতে করা মন্তব্য দেশের সংখ্যালঘুদের আঘাত করেছিল। বিজেপির নারী মোর্চার সাধারণ সম্পাদক গৌরী বিচারপতি নিযুক্ত হলে বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা খর্ব হবে। গতকাল সোমবার প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় মামলাটি শুনতে সম্মত হয়েছেন। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে মামলাটির শুনানি রয়েছে। গৌরীকে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগে ছাড়পত্র দেওয়ার পর টুইটারে পোস্ট দেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তিনি লেখেন, ‘ভারতীয় সংবিধান মেনে আইনজীবী এবং বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের এলাহাবাদ হাইকোর্ট, কর্ণাটক হাইকোর্ট, মাদ্রাজ হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিযুক্তদের শুভেচ্ছা জানাই।’ বিচারপতিদের নিয়োগ করে কলেজিয়াম। সেই কলেজিয়ামে রয়েছেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়, বিচাপতি সঞ্জয় কিষান কল, বিচারপতি কে এম জোসেফ। গত ১৭ জানুয়ারি তারা মাদ্রাজ হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে গৌরী এবং আরো চারজনের নাম প্রস্তাব করেন। এ ছাড়া অতিরিক্ত বিচারপতি পদে গৌরীর নাম সুপারিশ করার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামকে চিঠি দিয়েছেন চেন্নাই হাইকোর্টের বার কাউন্সিলের কয়েকজন সদস্য। তাতে লেখা হয়েছে, গৌরী অতিরিক্ত বিচারপতি নিযুক্ত হলে বিচার বিভাগের ‘স্বাধীনতা খর্ব’ হবে। কেন এই অভিযোগ তারা করছেন, তা বোঝাতে গৌরীর দুইটি সাক্ষাৎকারের ইউটিউব লিংকও চিঠির সঙ্গে পাঠানো হয়েছে। ২০১২ সালের ১ অক্টোবর রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের একটি বইয়ে গৌরীর একটি লেখা প্রকাশিত হয়। ‘খ্রিস্টান ধর্মে রূপান্তরকরণ সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করছে’ শীর্ষক সেই লেখাও চিঠির সঙ্গে পাঠিয়েছে বার অ্যাসোসিয়েশন। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris