এফএনএস বিদেশ : মধ্যপ্রাচ্য থেকে নিজেদের রণতরী ‘ইউএসএস নিমিৎজ’ প্রত্যাহার করে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগন। ওই অঞ্চলে ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি কিছুটা হলেও কমে আসবে। খবর আল আরাবিয়ার। পেন্টাগন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস মিলারের নির্দেশে ‘ইউএসএস নিমিৎজ’ নৌবহরের গত ১০ মাসের দায়িত্ব পালনের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে কেন হঠাৎ করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সে ব্যাপারে কিছু জানায়নি পেন্টাগন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনজন মার্কিন কর্মকর্তা। তবে এটা এখনও ঘোষণা দেয়া হয়নি। আরব উপসাগরে মার্কিন বোমারু বিমান বি-৫২ উড়ে যাওয়ার একদিন পর ইউএসএস নিমিৎজ প্রত্যাহারের এই খবর সামনে এলো। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানকে সতর্ক করে দিতেই ওই অঞ্চলে টহল দিয়েছিল মার্কিন বোমারু বিমান। তবে রণতরী সরিয়ে আনার বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা না আসায় নাম গোপন করে এ বিষয়ে কথা বলেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানকে প্রতিহত করতে চাচ্ছে অথচ ওই অঞ্চল থেকে তাদের রণতরী ফিরে আনছে, যা অনেকের কাছে অস্বাভাবিক বলে ঠেকেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে হয়তো মতভেদ দেখা দিয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে গত কয়েক দিন ধরে বলা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের শিকার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার ঘটনায় জড়িত সবাইকে উচিত শিক্ষা দেবে তেহরান। ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল মুসাভি বৃহস্পতিবার তেহরানে বলেছেন, তার দেশ যে অঙ্গীকার করে তা অবশ্যই পূরণ করে।