সর্বশেষ সংবাদ
‘আলুর গোল্লা’ খেতে বাগমারায় আসছেন দুর-দুরান্তের মানুষ পুঠিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ-পথসভা চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যেখানে জন্ম সেখানেই বিদায় ট্রাম্পের মন্তব্য, আমাকে হত্যার ছক কষছে ইরান দেশের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতালের অনুমোদন, ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হচ্ছে ৪১৮টি কমিটি গঠন নিয়ে সাপাহারে আদিবাসী পরিষদের একাংশের সংবাদ সম্মেলন বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ১১ মৃত্যু, উদযাপন নিয়ন্ত্রণে হাইকোর্টে রিট রাজশাহী শহর বাঁধ দখলমুক্ত ও সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণে উচ্ছেদ অভিযান কুয়েত-বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ইরানে রাতভর ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

উৎসবের ধোয়ায় দূষিত দিল্লির বাতাস

Paris
Update : শনিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২১

এফএনএস : বায়ুদূষণ রোধে এ বছর দীপাবলির উৎসবে আতশবাজি পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ভারত সরকার। তবে সেই নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কাও করেনি দিল্লিবাসী, যার মূল্য এখন দিতে হচ্ছে তাদের। দীপাবলির রাতে আলোক ঝলকানো উৎসব শেষে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে গেলেও সকালে ঘুম থেকে উঠে আর সূর্যের মুখ দেখতে পাননি তারা। কারণ, গোটা শহর ঢাকা পড়েছে দূষিত বায়ুর গাঢ় কুয়াশায়। শুক্রবার সকাল থেকেই চলতি বছরে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুতে নিঃশ্বাস নিতে হচ্ছে ভারতের রাজধানী শহরের বাসিন্দাদের। বিশ্বজুড়ে রাজধানী শহরগুলোর মধ্যে নয়া দিল্লির বায়ুদূষণ বরাবরই ভয়াবহ।

কিন্তু শুক্রবার তা যেন আগের সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম অনুসারে, বৃহস্পতিবার দীপাবলি উৎসবের আগেও এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিআই) দিল্লিতে বায়ুদূষণের সীমা ছিল ৩৮২। রাত ৮টা নাগাদ তা আরও ভয়াবহ হতে শুরু করে। শুক্রবার সকালে দিল্লির জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম এলাকায় বাতাসে বিষাক্ত কণার উপস্থিতি দাঁড়ায় প্রতি ঘনমিটারে ৯৯৯ পিএম২.৫। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে মানবদেহের জন্য এর নিরাপদ সীমা মাত্র ২৫ পিএম২.৫। এ ধরনের দূষিত বায়ু ফুসফুসের ক্যন্সারসহ নানা ধরনের দুরারোগ্য ব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে। ভারতে প্রতি বছরই বায়ুদূষণজনিত রোগে ১০ লাখের বেশি মানুষ মারা যায়।

ভারতের সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের (সিআরইএ) বিশ্লেষক সুনীল দাহিয়া বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, আতশবাজি পোড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা দিল্লিতে সফল হয়েছে বলে মনে হয় না। এর ফলে বিপজ্জনক দূষণের মাত্রা সীমা ছাড়িয়ে গেছে। প্রায় প্রতি বছরই ভারত সরকার অথবা দেশটির সুপ্রিম কোর্ট আতশবাজি পোড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করে থাকে। তবে মাঠপর্যায়ে তা খুব কমই কার্যকর হতে দেখা যায়। এর সঙ্গে যোগ হয় দিল্লির প্রতিবেশী পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় কৃষকদের খড় পোড়ানোর মৌসুম। পরবর্তী বছরে চাষের জন্য মাঠ প্রস্তুত করতে পুরোনো খড়কুটোয় আগুন ধরিয়ে দেন কৃষকরা। দিল্লির বায়ুদূষণের জন্য অন্তত ৩৫ শতাংশ দায়ী এ থেকে তৈরি ধোঁয়া।

ভারত সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, অর্থনৈতিক কার্যক্রমে নজর দিতে গিয়ে তারা বায়ুদূষণ রোধে যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গত সোমবার স্কটল্যান্ডে কপ২৬ সম্মেলনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা দিয়েছেন, ভারত ২০৭০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনবে। তবে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলার এই লক্ষ্যমাত্রায় ভারত অন্তত দুই দশক বেশি সময় নিচ্ছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris