এফএনএস : গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৮২৩ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৭৫ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ৬৯২ জন। মৃত নয়জনের মধ্যে পুরুষ তিন জন ও ছয়জন নারী। গতকাল রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. ইউনুস স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৮৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩১ হাজার ৩২৭ জন। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৩২টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৫০টি, জিন এক্সপার্ট ৫৭টি, র্যাপিড অ্যান্টিজেন ৬২ টি।
এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৮ হাজার ৪৯৯টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৮ হাজার ৪৮৫টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১কোটি ২ লাখ ২২ হাজার ১৪০টি। এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৩৪ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত নয়জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ছয়জন, চট্টগ্রাম বিভাগে দুইজন, সিলেট বিভাগে একজন।
এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন আটজন। আর বেসরকারি হাসপাতালে এক জন। মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত নয়জনের মধ্যে রয়েছেন ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন। এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১০৯ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২১৬ জন।
এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন তিন লাখ ৮৫ হাজার ২৬৫ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিন লাখ ৪৮ হাজার ২১৬ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৩৭ হাজার ৪৯ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।