সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহীতে কুপিয়ে জখম, হত্যার হুমকি, মামলা না নেয়ায় আতঙ্কে পরিবার মালয়েশিয়া থেকে চীনে প্রধানমন্ত্রী, সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশায় বেইজিং রামেবি আয়োজিত সেমিনারে ডেঙ্গু মোকাবিলায় সমন্বিত প্রস্তুতি ও সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ তানোরের কাশিমবাজার-বায়া রাস্তা সংস্কার মান নিয়ে সন্তুষ্ট স্থানীয়রা রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত রাজশাহী নগরীতে নারীসহ ৮ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, মাদকদ্রব্য উদ্ধার নওগাঁয় শয়তানের নিঃশ্বাস চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার সাপাহারে বাড়িতে ঢুকে দম্পতির ওপর হামলা রুয়েটে তিনদিনের অ্যাক্রিডিটেশন মূল্যায়ন শুরু রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন ধোঁয়াশার বেড়াজালে আবদ্ধ

মালয়েশিয়া থেকে চীনে প্রধানমন্ত্রী, সফর ঘিরে বড় প্রত্যাশায় বেইজিং

Paris
Update : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

আরা ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে সোমবার (২২ জুন) বিকেলে চীনের দালিয়ানে গেছেন। তারেক রহমান স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে দালিয়ান রওনা হন। এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের দালিয়ানে দুইদিন কর্মব্যস্ত সময় কাটাবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিং যাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরের মূল কর্মসূচি শুরু হবে। দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বুঙ্গা রায় কমপ্লেক্সের এক্সক্লুসিভ ভিআইপি টার্মিনালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলফিকলি হাসান ও তাঁর সহধর্মিণী। এ সময়ে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম ও ডেপুটি হাইকমিশনার শাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত রোববার দুই দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া যান। এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়ায় ছিলো প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সফর। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরও। স্বল্পসময়ের এই সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে। প্রথমে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খোলামেলা আলোচনায় দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। পরবর্তী পর্যায়ে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করছে বেইজিং। একই সঙ্গে ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে এগিয়ে নেওয়া, বেল্ট অ্যান্ড রোড (বিআরআই) উদ্যোগের আওতায় উচ্চমানের সহযোগিতা ত্বরান্বিত, সব খাতে পারষ্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, বহুপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয় জোরদার এবং চীন-বাংলাদেশ ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাও করছে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের এই মিত্র দেশ। সোমবার (২২ জুন) বেইজিংয়ে নিয়মিত এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এসব প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। চীনের স্টেট কাউন্সিলের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী ২৪ থেকে ২৬ জুন চীনে সরকারি সফর শুরু হবে। তার আগে আজ মালয়েশিয়া থেকে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। দালিয়ানে তিনি দুই দিন কর্মব্যস্ত সময় কাটাবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে যাবেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। সফরকালে চীনের শীর্ষ নেতা তার সঙ্গে বৈঠক ও আলোচনা করবেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হবে; যা দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্তর-পূর্ব চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য সামার দাভোস ফোরাম বা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ১৭তম বার্ষিক সভায় যোগ দেবেন। বেইজিংয়ের এই মুখপাত্র বলেন, চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী এবং ব্যাপক কৌশলগত সহযোগী অংশীদার। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের নেতাদের কৌশলগত দূরদর্শিতার হাত ধরে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ক্রমাগত এগিয়েছে, রাজনৈতিক পারস্পরিক বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাস্তবমুখী সহযোগিতার ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ অর্জন সম্ভব হয়েছে; যা দুই দেশের জনগণের জন্যই দৃশ্যমান সুফল বয়ে এনেছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris