শনিবার

২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
রুয়েটের ছাত্র হল-২ এ চোর সন্দেহে যুবক আটক সাপাহারে আম মৌসুমের নিরাপত্তায় বিশেষ নজরদারি রাজশাহীতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় নার্সিং কলেজের ৩ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার পারমাণবিক ইস্যুতে মার্কিন সব শর্ত মানবে না ইরান : মোজতবা খামেনি বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতকে পুশ-ইন বন্ধের আহ্বান জানাল হিউম্যান রাইটস ওয়াচ লালপুরে একটু বৃষ্টিতেই স্কুলের পাঠদান কক্ষে হাটু পানি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বাগমারায় স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ বিষয়ে সেমিনার ও প্রদর্শনী নিরাপত্তার ঘেরাটোপ যেন জনগণ থেকে দূরে না ঠেলে : প্রধানমন্ত্রী অটোরিকশার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে মাঠে রাসিকের রাজস্ব বিভাগ স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে সাশ্রয়ী প্যাকেজিংয়ে নিরাপদ ভোজ্যতেল নিশ্চিতের আহ্বান

রামেক হাসপাতালে বাড়ছে আরো একটি করোনা ওয়ার্ড

Paris
Update : রবিবার, ২০ জুন, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার : করোনা রোগীদের জায়গা দেয়া সম্ভব না হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আরো একটি সাধারণ ওয়ার্ডকে করোনা ওয়ার্ডে রূপান্তর করার কাজ চলছে। করোনা রোগীদের জন্য হাসপাতালের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডটিতে এখন অক্সিজেন সরবরাহ লাইনের কাজ চলছে। গতকাল শনিবার সকালে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফিংয়ে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৬টি শয্যা আছে। সেখানে বারান্দায় বাড়তি আরও ১২টি শয্যার ব্যবস্থা করা যাবে। ফলে সেখানে মোট ৪৮ জনের চিকিৎসা সম্ভব হবে। দু’একদিনের মধ্যেই ওয়ার্ডে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ লাইনের কাজ শেষ হবে। এরপরই সেখানে করোনা রোগীদের রাখা হবে।

কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য রামেক হাসপাতালে এখন একের পর এক সাধারণ ওয়ার্ডকে করোনা ওয়ার্ডে রূপান্তর করা হচ্ছে। এখন হাসপাতালের ১, ৩, ১৫, ১৬, ২২, ২৫, ২৭, ২৯-৩০ এবং ৩৯-৪০ নম্বর ওয়ার্ডে করোনা রোগী রাখা হয়। এছাড়া নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ২০টি ও কেবিনে ১৫টি করোনা ডেডিকেটেড শয্যা আছে। সবমিলিয়ে মোট শয্যার সংখ্যা ৩০৯টি। ১৭ নম্বর ওয়ার্ডটি যুক্ত হলে মোট শয্যা হবে ৩৫৭টি। তবে শনিবার সকালেই হাসপাতালে ৩৬৫ জন রোগী ভর্তি ছিলেন।

হাসপাতাল পরিচালক জানান, যেসব রোগী শয্যায় আছেন, কেবল তাঁরাই সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ লাইনের সুবিধা পান। মেঝে কিংবা বারান্দায় থাকা রোগীদের সিলিন্ডার ও অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের মাধ্যমে অক্সিজেন দেয়া হয়। হাসপাতালে ১৮৩টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর এবং ৭২৫টি সিলিন্ডার আছে। তিনি আরও জানান, করোনার প্রথম ধাক্কায় রামেক হাসপাতালে সর্বোচ্চ ১৩৫ জন রোগী হয়েছিল। ঈদের আগে কমে সেটি ৭১ জনে দাঁড়িয়েছিল। ঈদের পর এখন বাড়তেই আছে।

তাই একের পর এক সাধারণ ওয়ার্ডকে করোনা ওয়ার্ডে রূপান্তর করা হচ্ছে। কিন্তু জায়গা না থাকায় আগামী ৫-৬ মাসেও আইসিইউ শয্যা বাড়ানো সম্ভব হবে না বলেও জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক। তিনি বলেন, আইসিইউ’র জন্য বাড়তি সুবিধাসম্পন্ন জায়গা দরকার। সেটা হাসপাতালে এই মূহুর্তে আর নেই। প্রথমে করোনার জন্য ১০টি আইসিইউ করা হলেও পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে ২০টি করা হয়েছে। আর বাড়ানো সম্ভব হবে না। এখন লকডাউনটা যদি ঠিকঠাকমত হয়, তাহলে হয়ত রোগী কমবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris