১২ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

সাহেব বাজারের স্বর্ণকারপট্টিতে চুরির ঘটনা তদন্তের অগ্রগতি কতোদুর?

প্রকাশিত: ১২ আগস্ট ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আইন-আদালত, স্পেশাল নিউজ
সাহেব বাজারের স্বর্ণকারপট্টিতে চুরির ঘটনা তদন্তের অগ্রগতি কতোদুর?
বিজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজার স্বর্ণকারপট্টির কারুশ্রী জুয়েলার্সে ঘটে যাওয়া দুর্ধর্ষ সেই চুরির ঘটনা নিয়ে নগরীতে এখনো চলছে নানাকথন। চুরির পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে ঘটে যাওয়া বিশেষ কিছু ঘটনার কারনে প্রায়শই সন্দেহের তীর বাঁক নিচ্ছে বিভিন্নদিকে। চলতি বছরের ১৯ জুন নগরীর সাহেব বাজার সোনাদীঘি এলাকার স্বর্ণপট্টিতে ঘটে যাওয়া প্রায় ছয় কোটি টাকার সেই চুরির ঘটনায় মামলা সাপেক্ষে চলছে তদন্ত। দেড়মাস অতিবাহিত হলেও তদন্তে এখনো মেলেনি তেমন কোন সুরাহা। তবে তদন্ত কার্যক্রম নিয়মানুযায়ী অগ্রসর হচ্ছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তাদের। নগর ডিবি পুলিশের কাঁধে রয়েছে তদন্তভার। পাশাপাশি, বোয়ালিয়া থানা পুলিশও মাঠে কাজ করছে সমান তালে বলে জানান বোয়ালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মাছুমা মুস্তারী।
বেশ কঠিন ও সময় সাপেক্ষ দুর্ধর্ষ এই চুরির বেশকিছু বিষয় বিশ্লেষণপূর্বক স্থানীয় ব্যবসায়ী ও স্বর্ণকারপট্টির অনেকেরই রয়েছে শস্যের ভেতর ভূতের শঙ্কা নিয়ে। তাদের ভাষ্যমতে, চুরির কৌশল, জুয়েলারি দোকান টার্গেট, সময়ের হিসেব নিকেশ, আবাসিক হোটেলের বর্ডারের সন্দেহজনক প্রবেশ-প্রস্থান, সিন্দুকের লকিং মেকানিজম সিস্টেম বিনষ্ট, অক্ষত থাকা চারটি তালা, অতিগোপনীয় স্থানে রাখা সিসি ক্যামেরার ‘ডিভিআরও-হার্ডডিস্কসহ সার্বিক বিষয়াদি পর্যালোচনা করলে চুরির ঘটনাটি বেশ রহস্যজনক ও দীর্ঘসময়ের সুপরিকল্পিত একটি অপকর্ম বলেই ধারণা স্বর্ণ ব্যবসায়িদের। অতিসহসায় সম্পন্ন করা এই অপকর্মটির সাথে আশেপাশের বা ব্যবসার সাথে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণের বা অতিপরিচিত ব্যক্তিগণের সহোযোগিতা ব্যতীত এটি প্রায় অসম্ভব বলে মন্তব্য অনেকের।
জুয়েলারি দোকান টার্গেট : নাম পরিচয় গোপন রাখার স্বার্থে স্বর্ণপট্টির সিনিয়র জুয়েলারি ব্যবসায়িরা যুক্তিসমেত মন্তব্যে বলেন, শস্যের মধ্যে ভূতের অবস্থান প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে না থাকলে; স্বর্ণকারপট্টি থেকে এতো সহসায় বাইরের কোন সিন্ডিকেড বা চোরচক্র এই ধরণের চুরির ঘটনা ঘটাতে পারবেনা। তাছাড়া, স্বর্ণকারপট্টিতে কারুশ্রী জুয়েলার্সের সিন্দুক ও পুরো দোকানে কি পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার আছে; দেয়ালের সুনির্দিষ্টস্থান কোন স্থানে ভেঙ্গে ফেললে বিপরীত পাশের দেয়ালে থাকা বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড স্পর্শ করবেনা; সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক দোকানের কোন গোপনীয় স্থানে রক্ষিত আছে; কখন ও কোনপন্থায় কাদের সাহায্যে চুরি করে নির্বিঘ্নে বেড়িয়ে আসা যাবে এগুলো সম্পর্কে পরিপূর্ণ ও নির্ভুল ধারণা না থাকলে এই অপকর্ম সম্পন্ন করা অসম্ভব। নগরীর সমবায় মার্কেটের সামনের প্রধান সড়কের পাশে দাড়িয়ে থাকা লাল রংয়ের তিনতলা বিশিষ্ট ভবনটির নিচতলার লেনে (ফ্লোর) রয়েছে মোট ৯টি জুয়েলার্সের দোকান। ভবনটির নিচতলায় রয়েছে কারুশ্রী জুয়েলার্স, আফিয়া জুয়েলার্স, তৃষান জুয়েলার্স, রেখা জুয়েলার্স, রূপায়ণ জুয়েলার্স, চিশতি জুয়েলার্স, ফাইম জুয়েলার্স, লতা জুয়েলার্স ও গোল্ড কিং। আর ভবনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা মিলে স্বর্ণা আবসিক হোটেল। এতোগুলো স্বর্ণের দোকান থাকতে কারুশ্রী জুয়েলার্সে চুরির ঘটনাটি বেশ সন্দেজনক। কারণ কারুশ্রী জুয়েলার্সের চাইতে অন্যান্য দোকানে চুরি করাটা তুলনামূলক কম কষ্টসাধ্য ছিল। সেবিবেচনায় ঝুঁকিও ছিলো তুলনামূলক অনেক কম। কিন্তু কারুশ্রী জুয়েলার্স সম্পর্কে সার্বিক ধারণা নিয়েই কঠিনতম অপকর্মটি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করেছে দুস্কৃতিকারিরা। যাবার বেলায় মুখস্ত বিদ্যার ন্যায় দোকানের অতিগোপনীয় স্থানে লুকিয়ে রাখা সিসি ক্যামেরার ভিডিওচিত্র সংক্ষণের যন্ত্র- ‘ডিভিআরও’-হার্ডডিস্ক- খুলে সেটাও নিজেদের হস্তগত করেছে। বিষয়গুলো বেশ কৌতুহলী, মন্তব্য ব্যবসায়ীদের।
চুরি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রাণনাশের হুমকি : চুরির বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বেশকয়েকজন জুয়েলারি ব্যবসায়িকে অজ্ঞাত একাধিক মোবাইল নাম্বার থেকে কয়েকদফা দেয়া হয়েছে প্রাণনাশের হুমকি ধামকি। গত ২৭-০৬-২০২৬ ইং তারিখে ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম ও ১৫-৭-২০২৬ ইং তারিখে সরকার জুয়েলার্সের মালিক শ্রী সুজিত সরকার ও জিমি জুয়েলার্সের মালিক ফরহাদ উদ্দিনকে অজ্ঞাত মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন করে ভয়ভীতি প্রদর্শণ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীরা নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় করেছেন দুটো জিডি। যার বোয়ালিয়া থানার জিডি নং ১৯০১ (২৭-০৬-২০২৬) ও ১১৩৩ (১৫-৭-২০২৬)। বিষয়টি নিয়ে বেশ আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্বর্ণপট্টিতে। তবে, পরবর্তীতে আর খোলা পাওয়া যায়নি নাম্বার দুটো বলে জানান ভুক্তভোগীরা। বহিরাগত কোন চোরচক্রের কাছে চুরির ঘটনার আটদিন ও ২৬ দিন পরে এই তিন জুয়েলারি দোকানের একাধিক মালিকের মোবাইল নাম্বার হুমকিদাতা কিভাবে পেলো। যেসকল স্বর্ণব্যবসায়ী চুরির বিষয়টি অতিদ্রুত উদঘাটনের জন্য প্রশাসন ও অন্যান্য দপ্তরে দৌড়ঝাপ বেশি করেছেন তাদেরকেই দেয়া হয়েছে প্রাণনাশের হুমকি।
হোটেল বর্ডারের সন্দেহমূলক কর্মকান্ড : জুয়েলারী ব্যবসায়িদের অনেকেই স্বর্ণা আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার ও কর্মচারিদের উদ্বৃতি দিয়ে জানান, গত ১৯ জুন শুক্রবার (সম্ভাব্য চুরির দিন) খুব সকালে কারুশ্রী ও আফিয়া জুয়েলার্সের দ্বিতীয় তলার স্বর্ণা আবাসিক হোটেলে হোবি নামের একজন নিয়মিত বর্ডার হোটেলে থাকার জন্য আসেন। ১৯ জুন হোবি (কেউবা বলছেন হাবু) হোটেলে ওঠার পর পরই হোটেল ম্যানেজার সুমনকে নিজ থেকে ডেকে নিয়ে অদূরে অবস্থিত রাজশাহীর বিখ্যাত মিষ্টি ও লুচির হোটেল জোড়াকালিতে নিয়ে গিয়ে পেট ভরে লুচি (দশ-বারোটা) ও মিষ্টি খাওয়ান। হোবি একজন নিয়মিত বর্ডার হবার কারনে ম্যানেজার সুমনের সাথে তার ছিল কিছুটা সখ্যতা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছোটখাটো ব্যবসায়ীরা (কাপড় বিক্রেতা, প্লাস্টিক পণ্য বিক্রেতাসহ সমজাতীয় ধাঁচের প্রাত্যহিক ব্যবসায়ি) নিয়মিত আসা যাওয়া করে হোটেলটিতে। ১৯ জুন শুক্রবার ছিল স্বর্ণপট্টির সাপ্তাহিক ছুটির দিন। তাই কারুশ্রী ও আফিয়া জুয়েলার্সের তিনতলার মার্কেট ভবনটির দক্ষিণমূখী গেটটি বন্ধ ছিল। শুধু উত্তরমূখী গেটটি থাকতো হোটেলের জন্য সার্বক্ষণিক খোলা। শনিবার (২০ জুন) সকালে দোকান খোলার পর জানাজানি হয়েছিল দোকানের ২০০ ভরি সোনা ও ১ হাজার ২০০ ভরি রুপা ও নগদ প্রায় ২০ লাভ টাকাসহ প্রায় ছয় কোটি টাকার মালামাল চুরি হয়েছে।
এদিকে, শনিবার খুব সকালেই হোবি নামের সেই বর্ডার হোটেল ত্যাগ করে। হোটেলের রেজিস্ট্রি খাতায় লেখা বর্ডারের মোবাইল নাম্বারটিও ছিল ভূয়া (অচল)। শুধু যে মোবাইল নাম্বারই ভূয়া ছিল তা কিন্তু নয়; উপরন্তু ভৌতিক কারনে হোটেলের রেজিস্ট্রি খাতাতেও লেখা হয়নি বর্ডারের জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি নাম্বার। সুমনের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি খানিকটা ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, থানাতে সবকিছু দেয়া আছে; ওখানে যান। বর্ডার হোবি ছিলেন একজন প্লাস্টিক পণ্য বিক্রেতা ও ছোটখাটো একজন পাইকারী ব্যবসায়ী বলেন জানান সুমন। কোন দোকানগুলোতে তিনি পণ্য সরবরাহ দিতো, সেটি কি জানেন, জানতে চাইলে ম্যানেজার সুমন এর চাইতে বেশিকিছু বলতে আগ্রহ দেখাননি। স্বর্ণপট্টিতে সাপ্তাহিক ছুটিরদিন ছিল শুক্রবার। খুব সম্ভবত সেদিন (১৯ জুন-শুক্রবার) দুপুর থেকে রাতের মধ্যেই ঘটেছে এই অপকর্মের ঘটনাটি বলে মন্তব্য জুয়েলারি ব্যবসায়িদের।
সিন্দুকের সিস্টেম ও তালা কাহিনী : নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন সিনিয়র জুয়েলারি ব্যবসায়ী বলেন, সাধারণ ও আধুনিক সিন্দুকে শক্তিশালী স্টিলের বোল্ট থাকে, যা সহজে কাটা বা বাঁকানো যায় না। হাতুড়ি বা মেটাল কাটার ব্যবহার করলে অনেক শব্দ হবার কথা, যা অতিসহসায় আশপাশের মানুষের নজর কাড়তে পারে। আর এমনটা হলে সিন্দুক ও এর ভেতরের জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সিন্দুকের লকিং পিন বা বোল্ট চাবি ছাড়া কোনো ভারী যন্ত্র বা হাতুড়ি-ছেনি কিংবা উন্নতমানের ড্রিল মেশিন দিয়ে ভেঙে ফেলা সম্ভব কিনা জানতে চাইলে কয়েকজন জৈষ্ঠ্য জুয়েলারি ব্যবসায়ি ও সংশ্লিষ্টরা বলেন, হয়তো সম্ভব; তবে এটি অত্যন্ত কঠিন, সময়সাপেক্ষ এবং সিন্দুকটির মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু অলৌকিক ভাবেই চুরি যাওয়া জুয়েলারি দোকানের সিন্দুকটির খুব একটা ক্ষতিসাধন হয়নি বলে জানান অনেকেই। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্তাদের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে দোকান মালিক সিন্দুকটি মেরামত করে পুণরায় ব্যবহার করছেন বলে নিশ্চিত করেন কারুশ্রী জুয়েলার্সের মালিক তুর্য সরকার। পাশ্ববর্তী আফিয়া জুয়েলার্সের (চোরের প্রবেশপথ) দোকানে লাগানো চারটি তালার অক্ষতবস্থার বিষয়টিও বেশ ভাবিয়ে তুলে। চুরি সংশ্লিষ্ট আরোকিছু সন্দেহমূলক বিষয়বলী সম্পর্কে আরো একটু গভীরে গিয়ে প্রশ্ন করতে চাইলে, তিনি বেশ বিব্রতকন্ঠে বলেন, এগুলো নিয়ে আর আলাপ করতে চাইনা। কি হবে বলে! এই প্রতিবেদককে তিনি আর সময় দিতে চাননি।
জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা প্রশ্নেরসূরে মন্তব্যে বলেন, স্বর্ণকারপট্টিসহ উপরের আবাসিক হোটেল ও দোকানের আশেপাশের অন্যান্য মার্কেটের সিকিউরিটি গার্ড, পথচারি ও হোটেল বর্ডারদের আনাগোনার মধ্যে একটি দোকানের চারটি তালা ও উচ্চ শব্দের সাটারগেট কোন প্রকার বাঁধাবিপত্তি ছাড়াই খোলা; একটি দোকানের ভেতরের দেয়ালের একাংশ ভেঙ্গে পার্শ্ববর্তী দোকানে প্রবেশ করা; অতঃপর অত্যন্ত মজবুত ও বহু লকের সমন্বয়ে তৈরি লোহার সিন্দুক অতিসহসায় খোলা, সকল মালামাল নিজেদের হস্তগত করে শেষে একই পথ (আফিয়া জুয়েলার্স) ব্যবহার করে বেড়িয়ে যাবার সময় প্রথম দোকানের সাটারগেটে চারটি অক্ষত তালা পূর্বের ন্যায় লাগিয়ে প্রস্থান নেয়ার বিষয়গুলো নিঃসন্দেহে সুপরিকল্পিত ও কারসাজি বলেই মনে করছেন অনেক ব্যবসায়ী। অতিপরিচিত একাধিক ব্যক্তি এই চুরিতে বিভিন্ন পন্থায় ও স্বশরীরে সহোযোগিতা না করে থাকলে এই ধরনের অপকর্মের বিষয়টি প্রায় অসম্ভব। তাই সার্বিক বিবেচনায় এই অপকর্মে শস্যের ভেতর ভূতের উপস্থিতি থাকলেও থাকতে পারে।
তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, পুলিশের পাশাপাশি সরকারের আরও কয়েকটি সংস্থা ঘটনাটি নিয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত কাজে যেন কোন প্রকার ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয়; সেজন্য আপাতত তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ড নিয়ে প্রশাসন মূখ খুলতে পারছেনা। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। চুরির ঘটনার তদন্তে ধীরতা নাকি কৌশল? জানতে চাইলে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা বেশখানিকটা অগ্রসর হয়েছি। তদন্তের স্বার্থে অনেককিছুই এখন বলা যাচ্ছেনা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি আশরাফুল ইসলাম বলেন, চুরির ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও চুরি হওয়া অলংকার উদ্ধারের সুখবরের জন্য আমরা তাকিয়ে আছি প্রশাসনের দিকে। তবে পুলিশ কমিশনার মহোদয় আমাদেরকে দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন