২০ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর : সুপ্ত আশা-প্রত্যাশা দানা বেঁধেছে মানুষের মাঝেশিবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে হামলা চালালেও ৩ কারবারি গ্রেপ্তারঅবহেলা আর অযত্নে পড়ে আছে ঈশ্বরদী বিমান বন্দরবরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের আশানুরূপ খাদ্যের যোগান দিচ্ছে বিএমডিএশেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত রাজশাহীপ্রধানমন্ত্রীর নিকট রাজশাহীতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে উপস্থাপন করা হবে : রাসিক প্রশাসকরাজশাহীর ঐতিহ্য-গৌরবের ধারক বরেন্দ্র কলেজ জাতীয়করণ দাবিকৃষ্ণ-হরিদ্রা রঙের ছোঁয়া ভিআইপি সড়কে ধর্মসভার মন্ডপ হপিংয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

আলুবীজের কেজি সাড়ে ৩৭ টাকা করার দাবি

প্রকাশিত: ১৫ জুন ২০২১, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আপনার মতামত
আলুবীজের কেজি সাড়ে ৩৭ টাকা করার দাবি
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) আলুবীজ শাখা ধ্বংসের জন্য একটি কুচক্রি মহল পায়তারা চালাচ্ছে এমন অভিযোগ করে চুক্তিবদ্ধ কৃষকের কাজ থেকে আলুবীজ সংগ্রহের মূল্য প্রতি কেজি সাড়ে ৩৭ টাকা করার দাবি জানিয়েছেন বিএডিসি চুক্তিবদ্ধ আলুবীজ কৃষকরা। গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বিএডিসি চুক্তিবদ্ধ কৃষক ফোরাম কেন্দ্রীয় সংসদ’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, আলুবীজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার থেকে কম হওয়ায় এবং অধিক শ্রমিক ও বালাইনাশক লাগায় আমাদের উৎপাদন খরচ প্রতি কেজি ৩০ টাকা দাঁড়িয়েছে। বিগত দিনে বিএডিসি আমাদেরকে উৎপাদন খরচের চেয়ে আলুবীজের মূল্য ২৫ শতাংশ বেশি দিয়েছে। সেই হিসাবে এ বছর প্রতি কেজি আলুবীজের মূল্য হয় সাড়ে ৩৭ টাকা। কিন্তু গত ৫ এপ্রিল বিএডিসির বিজ্ঞপ্তিতে এ বছর আলুবীজের মূল্য এ-গ্রেড প্রতি কেজি ১৯ টাকা এবং বি-গ্রেড প্রতি কেজি ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

পরবর্তীতে ২৩ মে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ-গ্রেড প্রতি কেজি ২২ টাকা এবং বি-গ্রেড প্রতি কেজি ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা আমাদের খুবই হতাশায় ফেলেছে- বলেন রুহুল আমিন। তিনি বলেন, বর্তমানে বিএডিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি সিন্ডিকেট বেসরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে আঁতাত ও ষড়যন্ত্র করে বিএডিসির সুনামকে নষ্ট করে বিএডিসি আলুবীজ শাখাকে ধ্বংস করার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই বিএডিসির আলুবীজ শাখা ধ্বংস হয়ে বেসরকারি সংস্থাগুলোর হাতে চলে যাবে। আর আলুবীজ চাষিরা ব্যাপক লোকসানে পড়ে সর্বহারা হয়ে যাবে।

এ সময় বিগত তিন বছর ধরে বিএডিসির নিজস্ব খামারে উৎপাদিত ভিত্তি বীজের মান খারাপ হওয়ায় প্রত্যায়িত বীজের মানও খারাপ হচ্ছে এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, আধুনিক দেশে পরপর তিন বছর ভিত্তি বীজের মান কীভাবে খারাপ হচ্ছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। তিনি আরও বলেন, সাধারণ কৃষকরা যখন আলুবীজ বপন করেন সে সময় বিএডিসির বীজ বাজারে আসে না।

ব্র্যাকের মতো বেসরকারি সংস্থাগুলো সে সময় বাজারে বীজ বিক্রি করে। বেসরকারি সংস্থাগুলোর বীজ বিক্রি হয়ে যাওয়ার পর বিএডিসির বীজ বাজারে দেয়া হয়। এতে বিএডিসির বীজ অবিক্রিত থেকে যায়। কার স্বার্থে এমনটা করা হচ্ছে? সংবাদ সম্মেলনে চুক্তিবদ্ধ কৃষকের কাছ থেকে বিএডিসির আলুবীজ সংগ্রহের মূল্য সাড়ে ৩৭ টাকা নির্ধারণ করাসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন