সর্বশেষ সংবাদ
দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করবো : প্রধানমন্ত্রী মহাদেবপুরে শয়নকক্ষ থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু রাজশাহীতে আকিজ প্লাম্বিং পাইপের ফুঁ বল চ্যাম্পিয়নশীপের খেলা সম্পন্ন রাজশাহী সেনানিবাসে স্টেশন কমান্ডার-এর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ আরডিএ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে প্রদ্ধাঞ্জলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আম বাজারে ‘আম তোলা’ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার চিকিৎসকদের পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি : প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত ও ‘অ্যাগ্রো-বেজড’ ইপিজেড স্থাপন করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

দুই লাখ শিক্ষককে দেয়া হবে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১

এফএনএস : করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অনেক শিক্ষার্থীর মানসিকভাবে সমস্যা হচ্ছে। অনেকে নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যাচ্ছে। অনেকে অপুষ্টিতে ভুগছে। এসব বিষয় মাথায় রেখে দুই লাখ শিক্ষককে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। স্কুল খোলার পর তারা শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও মানসিক বিভিন্ন বিষয় দেখে প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং করবেন। গতকাল বুধবার দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর চলমান ছুটি ও শিক্ষা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসে এমন তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, করোনার মধ্যে কিশোর অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন। তারা নানা ধরনের ডিভাইস, গেম খেলে এ ধরনের অপরাধে যুক্ত হচ্ছে। স্কুল-কলেজ খুললে তাদের মধ্যে এ প্রবণতা থেকে যেতে পারে। তাই এই বিষয়টি আমরা খুবই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ হচ্ছে প্রতি জেলায় অন্তত একজন করে মানসিক বিশেষজ্ঞের পদ সৃষ্টি করা। পদ তৈরি করার কাজটি সময়সাপেক্ষ বলে এই মুহূর্তে আমরা আমাদের শিক্ষকদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।

দেশের স্বনামধন্য মানসিক বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় এ বিষয়ক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল প্রস্তুত করে ৫৪০ জন শিক্ষক/কর্মকর্তার ওপর পাইলটিং করে তা চূড়ান্ত করেছি। এখন আমরা ২০০ জন মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করছি। এরপর ফেস-টু-ফেস এবং অনলাইনে আমরা অন্তত দুই লাখ শিক্ষককে এই প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসব। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা মোকাবিলা করার জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের দিকেও লক্ষ রাখতে হচ্ছে। এই লক্ষ্যে আমরা ইতোমধ্যে পুষ্টি বিষয়ে প্রায় এক লাখ শিক্ষক/শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

প্রায় ২০ হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ওজন মাপার যন্ত্র সরবরাহ করেছি যাতে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বিএমআই (বডি মাস ইনডেক্স) হিসাব করে তাদের স্বাস্থ্য মনিটর করতে পারেন। এছাড়াও আমরা ইতোমধ্যে মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পাঁচ কোটি আয়রন ফলিক অ্যাসিড সরবরাহ করেছি যাতে মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রত্যেকটি মেয়ে শিক্ষার্থী পর্যাপ্ত আয়রন ফলিক অ্যাসিড পায়। মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট যেন আনন্দময় ও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য যারা বিভিন্ন বিষয়ে সাফল্যের সঙ্গে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অলিম্পিয়াডের আয়োজন করেন বা তাতে অংশগ্রহণ করেন তাদের সাহায্য নেয়া হচ্ছে।

এসব বিষয় বিবেচনা করে আমরা এখন প্রত্যেক শিক্ষার্থীর এ ক্ষেত্রে একেবারে ব্যক্তিগত যে সমস্যগুলো আছে তা জানার চেষ্টা করছি। আশা করছি এই মাসের মধ্যেই আমরা সব তথ্য-উপাত্ত পেয়ে যাব এবং সামনের মাস থেকেই আমরা সেই তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেব। আমাদের লক্ষ হচ্ছে আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারি বা না পারি আগামী দুই মাসের মধ্যে যেন সব শিক্ষার্থী কোনো না কোনোভাবে প্রয়োজনীয় শিখন-শেখানো প্রক্রিয়ার সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করতে পারে সেই সুযোগ সৃষ্টি করা।

ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আরও যুক্ত ছিলেন- শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর সৈয়দ গোলাম মো. ফারুক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহাম্মদ মনসুরুল আলম, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. সাজ্জাদুল হাসান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহা, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris