২০ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর : সুপ্ত আশা-প্রত্যাশা দানা বেঁধেছে মানুষের মাঝেশিবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে হামলা চালালেও ৩ কারবারি গ্রেপ্তারঅবহেলা আর অযত্নে পড়ে আছে ঈশ্বরদী বিমান বন্দরবরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের আশানুরূপ খাদ্যের যোগান দিচ্ছে বিএমডিএশেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে প্রস্তুত রাজশাহীপ্রধানমন্ত্রীর নিকট রাজশাহীতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে উপস্থাপন করা হবে : রাসিক প্রশাসকরাজশাহীর ঐতিহ্য-গৌরবের ধারক বরেন্দ্র কলেজ জাতীয়করণ দাবিকৃষ্ণ-হরিদ্রা রঙের ছোঁয়া ভিআইপি সড়কে ধর্মসভার মন্ডপ হপিংয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

বাগমারায় নির্যাতিত প্রতিবন্ধী বাবুলের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ৫ মে ২০২১, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আপনার মতামত
বাগমারায় নির্যাতিত প্রতিবন্ধী বাবুলের সংবাদ সম্মেলন
বিজ্ঞাপন

মচমইল থেকে সংবাদদাতা : রাজশাহীর বাগমারা প্রতিবন্ধী বাবুল হোসেনের ভোগদখলীয় সম্পতিতে জোরপূর্বক দখল সহ মামলা হয়রানি করে জেল হাজতে প্রেরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাবুল হোসেন। বাবুল হোসেনের বাড়ি উপজেলার নরদাশ ইউনিয়নের সাঁইধারা গ্রামে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় বাগমারা প্রেসক্লাব উপস্থিত হয়ে একই এলাকার ভূমিদস্যু প্রভাবশালী মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। বাবুল হোসেন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মোজাম্মেল হক সাঁইধারা গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তার নির্দেশনায় চলে গ্রামের বিভিন্ন শালিস দরবার।

তার বিরুদ্ধে কথা বললেই শুরু হয় হামলা, মামলা আর হত্যার হুমকী। তার ভয়ে অতিষ্ট গ্রাম সহ এলাকাবাসী। সম্প্রতি নরদাশ ইউনিয়নের মৃত জোনাব আলীর প্রতিবন্ধী ছেলে বাবুল তাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসাবস করে আসছিল। তার আরেক বোন নুরজাহানের নিকট থেকে এক শত জমি ক্রয়ের জন্য বিশ হাজার টাকা বায়না প্রদান করেন। সেই জমি গোপনে প্রভাবশালী মোজাম্মেল হক নিজের নামে রেজিষ্ট্রি করে নেয় এরপর থেকে শুরু হয় দ্বন্দ্ব। মোজাম্মেল হক জোর পূর্বক ওই জমিতে বাঁশের বেড়া দিয়ে রাখে মোজাম্মেল হক।

মোজাম্মেল হক বর্তমানে সাঁইধারা গ্রাম পরিচালনা কমিটির সভাপতি। গ্রামের একক আধিপত্য ধরে রাখতে তার নেতৃত্বে গ্রামে রয়েছে একটি বাহিনী। যারা সর্বদায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকে। সন্ত্রাসী বাহিনীর তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ওই গ্রামের প্রায় অর্ধশত পরিবার। গ্রামের প্রতিবন্ধীসহ নিরীহ লোকজনকে মারপিট, জমি দখল, গোরস্থান দখল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাংচুর। সব কিছুই চলে মোজাম্মেল হকের ইশারায়। সন্ত্রাসী মোজাম্মেল হক সহ তার বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে পুরো গ্রামের লোকজন।

হামলা, ভয়ভীতি আর ক্ষমতার দাপটের ভয়ে মুখ খুলছেননা ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। তাদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন কাজে হচ্ছে না। মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে কথা বলায় চার মাস থেকে এক ঘরে করে রাখা হয়েছে ওই গ্রামের বাসিন্দা জাফর আলীর পরিবারকে। থানা পুলিশের স্মরণাপন্ন হলেও হয়নি তার সমাধান। গত ২৩ এপ্রিল রাতে মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে তার বাহিনীর সদস্যরা অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন জাফর আলীসহ প্রায় ১০ জন গ্রামবাসী।

এ ঘটনায় সন্ত্রাসী মোজাম্মেল হক ও তার বাহিনীর ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০/১২ জনের নামে বাগমারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। জমি-জমা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হওয়া সেই ঘটনায় উভয় পক্ষ মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় উভয় পক্ষের ১৯ জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, আমরা ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। উভয় পক্ষই আদালতে মামলা দায়ের করেছে। এলাকায় শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে পৃথক মামলায় উভয় পক্ষের আসামীদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন