২৬ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
শিগগিরই শুরু হচ্ছে রান্না করা মিড-ডে মিjÕর পাইলট প্রকল্প : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীনিয়ামতপুরে দশ কোটি টাকায় নির্মিত হাসপাতালে নেই চিকিৎসক-ওষুধরাসিক প্রশাসকের সঙ্গে জাপনের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ-মতবিনিমভূবনমোহন পার্কের স্থাপনা অবৈধ দখলমুক্ত করতে রাসিকের অভিযানমহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রীগাছ ও প্রকৃতির ভারসাম্য না থাকলে অস্তিত্ব হুমকিতে পড়বে : এমপি মিলনগণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, সমালোচনা গ্রহণই গণতন্ত্রের পরীক্ষা : তথ্যমন্ত্রীরাজশাহী মহানগরীতে পানি ও কেক উৎপাদনকারী ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নিয়ামতপুরে দশ কোটি টাকায় নির্মিত হাসপাতালে নেই চিকিৎসক-ওষুধ

প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আঞ্চলিক, স্বাস্থ্য-পরিচর্যা-পরামর্শ
নিয়ামতপুরে দশ কোটি টাকায় নির্মিত হাসপাতালে নেই চিকিৎসক-ওষুধ
বিজ্ঞাপন

শাহজাহান শাজু, নিয়ামতপুর : ছয় বছর আগে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। উদ্দেশ্য ছিল প্রত্যন্ত এলাকার মা ও শিশুদের হাতের নাগালে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া। তবে ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ জনবল ও নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ না থাকায় আলোর মুখ দেখেনি সেই কাঙ্ক্ষিত সেবার। নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের শিবপুর বাজারে অবস্থিত সরকারি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এখন অনেকটাই রোগীশূন্য। চিকিৎসক না থাকায় বন্ধ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম। গত তিন মাস ধরে নেই কোনো ওষুধ সরবরাহও।
সরেজমিনে দেখা যায়, ১০ শয্যার হাসপাতালের বেডগুলো পড়ে আছে অযত্ন অবহেলায়। রোগী না থাকায় চালু নেই নিয়মিত চিকিৎসাসেবা। ধুলা ময়লায় জর্জরিত হয়ে পড়ে আছে অপারেশন থিয়েটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি।
হাসপাতাল ভবনের পাশাপাশি রয়েছে স্টাফদের জন্য তিনতলা আবাসিক কোয়ার্টার, রয়েছে চিকিৎসাসেবার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জামও। কিন্তু চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় এসব অবকাঠামোও কার্যত কোনো কাজে আসছে না। সরকারি অর্থে এত বড় অবকাঠামো তৈরি হলেও চিকিৎসক ও ওষুধের অভাবে তারা এর সুফল পাচ্ছেন না। বিশেষ করে মা ও শিশুদের জরুরি চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালগুলোতে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
বর্তমানে কেন্দ্রটিতে একজন ফার্মাসিস্ট, একজন টেকনোলজিস্ট, একজন ওয়ার্ডবয় ও একজন আয়া কর্মরত রয়েছেন। তবে প্রতিষ্ঠানটি চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসক এখানে যোগদান করেননি।
কেন্দ্রটির ইনচার্জ সুজন কুমার সাহা বলেন, গত তিন মাস ধরে কেন্দ্রে কোনো ধরনের ওষুধ সরবরাহ নেই। চিকিৎসক না থাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে রোগীরাও এখানে আসছেন না। ফলে অলস সময় পার করতে হচ্ছে আমাদেরকে। সেবাগ্রহীতাদের এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে গেলে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইকরাম রহমান। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত চিকিৎসকসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করে কেন্দ্রটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করা হোক। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র যেন শুধু ভবন ও যন্ত্রপাতির প্রদর্শনী না হয়ে সত্যিকার অর্থেই মা ও শিশুদের চিকিৎসার নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয় এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন