শনিবার

১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
হাজার কোটি টাকার টার্গেট নিয়ে রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু রাজশাহীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় চার জন গ্রেপ্তার, অটোরিক্সা উদ্ধার রাজশাহীতে হোটেলের ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় ‘চাঁদাবাজ’ হিসাবে অপপ্রচারের অভিযোগ নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার মূল হোতাসহ ১৫ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী শুধু স্বপ্ন দেখাচ্ছেন না, স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করেও দেখাচ্ছেন : রাসিক প্রশাসক বন্ধ চিনিকলগুলোতে আশার আলো মোস্তফার ভরসা বুকে বাঁধা বেয়ারিং গাড়ি রাজশাহীকে পরিকল্পিত মহানগর হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে: ভূমিমন্ত্রী রাজশাহীর লিচুতে ৬০ কোটি টাকা বাণিজ্য হওয়ার সম্ভাবনা অবশেষে জেল ফটকে অপেক্ষারত তিন শিশু ফিরে পেল মায়ের কোল

দিনের বেলায় আসিস তোদের ইমানি শক্তি দেখবো : ছাত্রলীগ

Paris
Update : সোমবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২০

এফএনএস : ‘তোরা দিনের বেলা আসিস, তোদের ইমানি শক্তি কত দেখবো’-কুষ্টিয়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরকারীদের উদ্দেশ্যে এভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। গতকাল রোববার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজুভাস্কর্যের পাদদেশে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ হুশিয়ারি দেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন ঢাবি শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ। জয় বলেন, বাংলাদেশের মানচিত্র জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশের প্রতিটি জনগণের হৃদয়ের অবস্থান করছে।

ভাস্কর্যের বিরোধিতা করে জনগণের হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুকে দূরে রাখা যাবে না। এ সময় দেশের যেকোনো ওয়াজ মাহফিলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অবস্থান করার নির্দেশনা দেন ছাত্রলীগ সভাপতি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধর্মকে পুঁজি করে অরাজকতা তৈরি করছে। এদের উদ্দেশ্য একটি। ৭১ সালেও তারা এ দেশকে অস্বীকার করেছিল। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ধর্মের নাম করে অশান্তি তৈরি করলে এক চুলও ছাড় দেওয়া হবে না। ছাত্রলীগ সব সময় শান্তিতে বিশ্বাস করে। তোদের মতো কুলাঙ্গারদের শাস্তি দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগ বেয়াদব হবে। ভাস্কর্যবিরোধীতাকারীদের কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করার জন্য সরকারসহ গোয়েন্দা সংস্থাকে অনুরোধ জানান জয়।

সাধারণ সম্পাদক লেখক বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলবেন না। যদি কেউ বলেন, জাতির জনকের অবমাননা করেন, তাহলে সেই দেহ নিয়ে বাড়িতে ফিরতে পারবেন না। তাদের ঠিকানা হবে কারাগারে বা ফাঁসির কাষ্ঠে। সমাবেশের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয় যা ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris