গবেষণা ও তথ্যের জন্য রুয়েটকে বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘গবেষকদের মিলনমেলায় পরিণত হওয়া আমাদের আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেললের লক্ষ্য হলো গবেষণা ও তথ্যের জন্য রুয়েটকে বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা। এ ধরণের আয়োজনের মাধ্যমে আমরা শিক্ষাবিদ ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি অসাধারণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারি; যেখানে আমরা ধারণা বিনিময় করতে পারি, দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তিগত বিশ্বের সাথে নিজেকে আপডেট রাখতে পারি এবং আগামীর সমস্যা ও চ্যালেঞ্জগুলোকে সমন্বিতভাবে সমাধান করতে পারি।’ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রুয়েটে আয়োজিত ‘সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন্স’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স (আইসিসিইআই) ২০২৫ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। রুয়েটের অডিটোরিয়ামে তিন দিনব্যাপী (১২-১৪ ডিসেম্বর) এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের আয়োজন করে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (সিই) বিভাগ। সমাপনী অনুষ্ঠানে কনফারেন্সে উপস্থাপিত পেপারের মধ্য থেকে তিন জন গবেষককে বেস্ট পেপার অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। তারা হলেন, শ্যামল আচারিয়া, তানজিম রশিদ এবং আনিকা তাসনিম। সমপানী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান, পশ্চিমাঞ্চল রেলের প্রধান প্রকৌশলী আহম্মদ হোসেন মাসুম। কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. এস. এম. জহুরুল ইসলাম। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন আয়োজক কমিটির সেক্রেটারী ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আওয়াল। কনফারেন্সের আয়োজকদের দেয়া তথ্যমতে, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১১ টি মৌলিক বিষয়ের উপরে আয়োজিত এই কনফারেন্সে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, চীন ও থাইল্যান্ড সহ দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৪৭৫ জন একাডেমিশিয়ান ও গবেষকরা অংশ নিয়েছেন। এইবারের কনফারেন্সে জন্য সর্বমোট মোট ১ হাজার ১৯৬টি পেপার জমা পড়ে। যার মধ্যে গৃহীত হয় ৪৮৬ টি পেপার। গৃহীত পেপারের মধ্যে ৪৭৫ টি টেকনিক্যাল পেপার এবং ১১ টি কি-নোট পেপার ছিল। কনফারেন্সে সর্বমোট ৫৪ টি টেকনিক্যাল সেশন ও ৪ টি কি-নোট সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে কনফারেন্সের শেষ দিনে ১৪ ডিসেম্বর রবিবার কনফারেন্স ট্যুরের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত কনফারেন্স ট্যুরের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা রাজশাহী অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য সিভিল অবকাঠামো, কাঠামোগত প্রকৌশল স্থান পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি