স্টাফ রিপোর্টার, লালপুর : চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় নাটোরের লালপুরে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে কৃষক ও কৃষাণির মুখে সুখের হাসি ফুটে উঠেছে। পাট গাছ কাটা ও পানিতে পাট জাগ দেওয়া সহ সোনালী আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও কৃষাণিরা। পর্যাপ্ত বৃষ্টি হওয়ায় পুকুর, খাল, বিল, নালা ও জলাশয় গুলোতে সহ পদ্মা নদীতে পানি পরিপূর্ণ থাকায় পাট জাগ দিতে কোন সমস্যা হয়নি বলে জানান কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নারী ও পুরুষ মিলে জলাশয় সহ পদ্মা নদীতে জাগ দেওয়া পাট গাছ থেকে সোনালী আঁশ ছাড়াচ্ছেন। আবার পাটের সোনালী আঁশ রোদ্রে শুকিয়ে হাট ও বাজারে বিক্রিয়ের জন্য প্রস্তুত করছেন কৃষকরা। হাট ও বাজারে পাটের আঁশ প্রতি মণের মূল্য ৩১শ থেকে ৩৩শ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে বলে জানা গেছে। এবছর লালপুর উপজেলায় পাটের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ২শ ১৫ হেক্টর। উপজেলায় বিভিন্ন মাঠে পাটের চাষ হয়েছে ৭ হাজার ৫ শ ৭০ হেক্টর। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে। পাটের চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবছর কৃষি বিভাগ হতে ১ হাজার ১শ ৫০ জন কৃষকের মাঝে পাটের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। লালপুর সদরের কৃষক বাদশা নওশেদ নেওয়াজ লিটন বলেন, এবছরে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবং বাজারে পাটের আঁশের দাম বেশি থাকায় লাভবান হয়েছি। বিলমাড়ীয়া চরের পল্লী চিকিৎসক আবুল কাশেম বলেন, পাটের ভালো ফলন হয়েছে। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড় বলেন, এবারে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটের ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে পাটের দাম বেশি থাকায় কৃষকরা লাভবান হবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।