বৃহস্পতিবার

২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় সেনা সদস্যরা ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছে : সেনাপ্রধান ঈদের পরদিনই পরিচ্ছন্ন নগরী পাবেন রাজশাহী মহানগরবাসী : রাসিক প্রশাসক নগরীর দুই হত্যা মামলায় ৯ জন গ্রেপ্তার, তালিকা হচ্ছে কিশোর গ্যাং সদস্যদের নাচোলে পাল্টে যাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবার চিত্র পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তি উদ্যোগে সরকারি খাল খননে নতুন নির্দেশনা দিলো ভূমি মন্ত্রণালয় আরএমপি কমিশনার-রাসিক প্রশাসকের মধ্যে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক বিনিময় সরকার জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর : এমপি মিলন ক্ষুধা মেটাতে সন্তান বিক্রি করছেন আফগানরা সেবা প্রদান করা করুণা নয়, রাষ্ট্রের দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

তরুণীর অশ্লীল ছবি-ভিডিও ছড়ানোর অপরাধে যুবকের ৬ বছরের কারাদণ্ড

Paris
Update : বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার
ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে তরুণীর ছবি সম্পাদন করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ছড়ানোর দায়ে এক যুবকের ছয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে নয় মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে রাজশাহী সাইবার ট্রাইবুন্যালের বিচারক জিয়াউর রহমান এ রায় দেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের পৃথক তিনটি ধারায় তিনি এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ড আসামীর নাম মিজানুর রহমান তুহিন (২৬)। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চাতরা চৌদ্দমাথা গ্রামের বেলাল উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এই মামলার বাদী ভুক্তভোগী তরুণী নিজেই। তারা দুজনে রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। সেখানে তাদের বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। আসামী তুহিন ওই তরুণীকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে সে নাকচ করে। একই সাথে বিয়ের প্রস্তাব দিলেও সে না করে। ২০২২ সালের নভেম্বরে তরুণীর বিয়ে হয় অন্য এক যুবকের সাথে। এরপর আসামী তুহিন তরুণীকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। সে বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ব্যবহার করে তরুণীর মা-বোন সম্পর্কে কটু কথা বলে। এছাড়াও তরুণীর স্বামীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এরপর আসামী তরুণীর বেশকিছু ছবি ও ভিডিও সম্পাদনা করে ফেসবুকে তা পোস্ট করতে থাকে। যা সে ইচ্ছাকৃত ভাবে ভাইরাল করে। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে ২০ থেকে ২২ তারিখ পর্যন্ত একটি ফেইক আইডি খুলে আপত্তিকর ভিডিও ও ছবি পোস্ট করে। এছাড়াও তরুণীর স্বামীকেও অশ্লীল ভিডিও ও ছবি দিতে থাকে।
এতে তরুণী সামাজিক ভাবে অপমানিত হয়। দুই পরিবার ও এলাকায় অস্থিরতা শুরু হয়। এরপর তরুণী বাদী হয়ে ২০২৩ সালের ৫ জানুয়ারি মিজানুর রহমান তুহিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় আসামী তুহিনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। পরে আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ২৫(২) ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২৬ (২) ধারায় দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিনমাস বিনাশ্রশ কারাদণ্ড এবং এবং ২৯ (২) ধারায় এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অনাদায়ে এক লাখ টাকার অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাজা একটার পর একটা কার্যকর হবে বলেও রায়ে জানানো হয়।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris