এফএনএস
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সম্প্রতি বিতরণ করা জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) স্মার্ট কার্ডে নামের বানান ও জন্ম সালের ভুলসহ বিভিন্ন তথ্যগত সমস্যা থাকায় বিপাকে পড়েছেন ভোটাররা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্বহীনতা ও উদাসীনতাকেই দায়ী করছেন ভুক্তভোগীরা। দেখা গেছে, কারও কার্ডে নাম ভুল, কারও জন্ম তারিখ, আবার কারও বাবা-মা নাম বা ঠিকানায় ভুল। এদের মধ্যে অনেকের স্মার্ট কার্ডে গ্রাম বা রাস্তার স্থানে ভাঙ্গুড়া বাজার, ভাঙ্গুরা বাজার, ডাকঘরের স্থানে ভাঙগুড়া-৬৬৪০, ভাংগুড়া ও পৌরসভার নাম ভাঙ্গুরা লেখা হয়েছে। নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ভাঙ্গুড়া উপজেলায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। এ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ১ হাজার ৬০৮ জন। তার মধ্যে বিতরণ করার জন্য ৮২ হাজারটি স্মার্ট কার্ড এসেছে। বিতরণের প্রথম তিন দিনে ভাঙ্গুড়া পৌরসভার প্রায় ১৫ হাজার ভোটারকে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হয়। পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওবায়দুল ইসলাম বলেন, একই ব্যক্তির স্মার্ট কার্ডে চার ধরনের ভাঙ্গুড়া বানান দেখে আমি হতবাক। পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বরাত আলী বলেন, ভাঙ্গুড়া শব্দটি সব জায়গায় একই রকমভাবে লেখা প্রয়োজন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসারের সঙ্গে কথা বলব। যাতে পরে ভোটাররা কোনো সমস্যায় না পড়ে। ভাঙ্গুড়া প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক হোসেন বলেন, আমার স্মার্ট কার্ডেও গ্রামের নাম ভুল এসেছে। তবে স্মার্ট কার্ডে ভুল থাকার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমি মনে করি নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায়িত্বহীন একটা কাজ করেছে। এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আতাউর রহমান বলেন, ২০০৭ সালে প্রথম ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ওই সময় তথ্য ইনপুটে এমনটা করেছিল তথ্য সংগ্রহকারীরা। যে কারণে ভাঙ্গুড়া নামটি বিভিন্নভাবে লেখা রয়েছে। তবে পরবর্তী সময়ে যারা ভোটার হয়েছে তাদের স্মার্ট আইডি কার্ড ঠিক আছে। বিভিন্ন ধরনের ভাঙ্গুড়া লেখা স্মার্ট কার্ডের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন দপ্তরকে জানানো হবে।