শুক্রবার

১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান রাসিক প্রশাসকের নির্দেশে তাৎক্ষণিক দুইটি নাগরিক সমস্যার সমাধান মোহনপুরের কৃষিতে নতুন সম্ভবনা চুইঝাল নওগাঁয় রাকাবের হালখাতা, ২ দিনে আদায় ১১ কোটি ২০ লাখ টাকা মেধাবী ফাহিমের পাশে রাজশাহীর ডিসি পরীক্ষায় নকল বন্ধে মন্ত্রী-এমপিদের সহযোগিতা চেয়ে শিক্ষামন্ত্রীর চিঠি রাজশাহী নগরীর ৫৪ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেবে রাসিক ফটো সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে : তথ্যমন্ত্রী টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে জাতীয় সংসদে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন স্পিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী আধুনিক হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

লুসিকে দেখতে যাবেন শেখ রেহানা

Paris
Update : শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩

এফএনএস
মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখায় বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টের সাথে দেখা করবেন বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানা। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন দেশে চিঠি লিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন লুসি হল্ট। শুক্রবার বরিশালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা। সেখান থেকে লুসির আবাসস্থল নগরীর অক্সফোর্ড মিশন চার্চে গিয়ে তার সাথে দেখা করবেন শেখ রেহানা। সূত্রমতে, ১৯৩০ সালের ১৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের সেন্ট হ্যালেন্সে জন্মগ্রহণ করেন লুসি হল্ট। তার বাবা জন হল্ট ও মা ফ্রান্সিস হল্ট। ১৯৪৮ সালে উচ্চমাধ্যমিকপাস করেন লুসি। ১৯৬০ সালে অক্সফোর্ড মিশনের একজন কর্মী হিসেবে বাংলাদেশে আসেন তিনি। নিয়োজিত হন মানবতার সেবায়। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সহযাত্রীরা দেশ ছেড়ে চলে গেলেও তিনি থেকে যান। মুক্তিযুদ্ধের সময় আত্মগোপনে থেকে যশোর হাসপাতালে আহতদের সেবা করেন। দেশে দেশে বাংলাদেশের স্বপক্ষে চিঠি লেখেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন। জীবনের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধাহতদের সেবা করেন। দেশ স্বাধীনের পরও তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে যাননি। মায়ার বন্ধনে থেকে যান। যুদ্ধ পরবর্তীকালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠিও দেন লুসিকে। পরে দেশের বিভিন্নস্থানে মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন লুসি। ৯৩ বছর বয়সের লুসি শেষ জীবনে স্থায়ী হয়েছেন বরিশালের অক্সফোর্ড মিশনে। তার জীবনের একমাত্র চাওয়া ছিল বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া এবং মৃত্যুর পর বরিশালের মাটিতে যেন তাকে সমাহিত করা হয়। দীর্ঘসময় ধরে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা দিয়েও বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাননি। এ ছাড়া অর্থ সংকটে নিজের চিকিৎসা চালানো এবং ব্রিটিশ নাগরিক লুসির বাংলাদেশের ভিসা ফি নবায়নে বছরে ৪০-৪৫ হাজার টাকা যোগাড় করাও ছিল কষ্টসাধ্য। এনিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে আসে। তৎপর হয়ে ওঠে বরিশালের স্থানীয় প্রশাসন। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিসা ফি মওকুফ যুক্ত পাসপোর্ট তুলে দেন লুসির হাতে। পরে প্রধানমন্ত্রী লুসির স্বপ্ন পূরণে গণভবনে লুসিকে ডেকে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দিয়েছেন। সেই লুসির শারীরিক খোঁজ নিতে শুক্রবার সশরীরে স্বয়ং লুসির ঘরে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা। তার এ আগমনকে কেন্দ্র করে এখন সাজ সাজ রব পুরো অক্সফোর্ড মিশনে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানা তার সাথে একান্ত কিছু সময় কাটাবেন। এমন খবরে দারুণ খুশি বৃটিশ বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিক লুসি।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris