সোমবার

১৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১লা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
জনতা ব্যাংক কাদিরগঞ্জ শাখার এটিএম বুথের উদ্বোধন রাজশাহী বহুমুখী বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন রাজশাহীর ডিসি জীবিকার তাগিদে একসময়ের যাত্রার নায়ক সামাদের কাঁধে এখন দোতারা রাজশাহীকে বাসযোগ্য শহর গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় আরডিএ’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের গোদাগাড়ীতে মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের শপথ আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইটের দায়িত্ব গ্রহণ রাণীনগরে ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ, ভাঙ্গন আতংক

লালপুর প্রকাশ্যে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

Paris
Update : সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার, লালপুর

নাটোরের লালপুর উপজেলার কদিমচিলান ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া বাজারে এক যুবলীগ নেতাকে হাত-পায়ের রগ কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রোববার সকালে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ওসমান গনি ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ৫নং ওয়ার্ড যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক হত্যা মামলার প্রধান আসামি। পূর্ব বিরোধের জেরে ওই হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে দাবি নিহতের স্বজনদের। লালপুর থানার ওসি উজ্জ্বল হোসেন পরিবার ও স্থানীয়দের বরাতে জানান, গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ডাঙ্গাপাড়া বাজারে মোটরসাইকেলের তেল কেনার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলেন ওসমান গনি। ওই সময় ১০/১৫ জন দুর্বৃত্ত তাকে ঘিরে ধরে প্রথমে হাত পায়ের রগ কাটে। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোপাতে থাকে। স্থানীয়দের দাবি, ওসমান গনির সঙ্গে সাবেক চেয়ারম্যানের সমর্থক ইউপি সদস্য রেজাউলের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে তার বাড়িতে এসে বাবা ও ভাইসহ পরিবারের কয়েকজনকে কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষরা। পরে ওই ঘটনার জেরে কদিমচিলান ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাককে হত্যা করা হয়। ওই মামলার ১নং আসামি ওসমান গনি। ওই জেরেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে। নিহতর ভাই ও স্বজনদের দাবি, পূর্ব বিরোধের জেরে হত্যা করা হতে পারে। তারা ওসমানের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। ওসি মো. উজ্জ্বল হোসেন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ঘটনার তদন্ত শেষে ওই হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris