মঙ্গলবার

১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
প্রচণ্ড গরমে নগরীতে সামাজিক সংগঠন ‘হেল্প ডোর’র বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ জনতা ব্যাংক কাদিরগঞ্জ শাখার এটিএম বুথের উদ্বোধন রাজশাহী বহুমুখী বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন রাজশাহীর ডিসি জীবিকার তাগিদে একসময়ের যাত্রার নায়ক সামাদের কাঁধে এখন দোতারা রাজশাহীকে বাসযোগ্য শহর গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় আরডিএ’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের গোদাগাড়ীতে মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের শপথ আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইটের দায়িত্ব গ্রহণ

সিটি করপোরেশনের মশা নিধন কর্মসূচির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন

Paris
Update : রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৩

এফএনএস
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি করপোরেশনগুলো যে কর্মসূচি নিয়েছে, সেই কর্মসূচির কোনো কার্যকরিতা নেই বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট গ্রুপ। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘কেন এই ডেঙ্গু মহামারি, পরিত্রাণ কোন পথে?’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ কথা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট কীটতত্ত্ববিদ ড. মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মশা নিধন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি। মশা মারতে তারা যে কীটনাশক প্রয়োগ করছে, তার প্রয়োগ প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা নিয়ে আরও গবেষণা করতে হবে। মশা নিধনে পানিতে হাঁস ও ব্যাঙ ছাড়ানো কার্যক্রম খুবই হাস্যকর, লোক দেখানো। এসব কার্যক্রমের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। পৃথিবীর আর কোথাও এমনটা দেখা যায় না। মঞ্জুর আহমেদ বলেন, প্রাকৃতিক কারণে ডেঙ্গু বাড়ছে, প্রাকৃতিক কারণেই আবার কমে যাচ্ছে। মশা নিধনে সিটি করপোরেশনগুলো যেসব কর্মসূচি নিচ্ছে, সেগুলোর কোনো কার্যকারিতা নেই। সুতরাং ফগিং করলেও যা, না করলেও তা। সিটি করপোরেশন যদি এই মুহূর্তে তাদের মশা নিধন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় তাতেও যা হবে, কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও তাই হবে। তিনি বলেন, মশা মারার জন্য যে সময়ে ফগিং দেওয়া হয়, সে সময়ে মশা তার নিজ জায়গায় থাকে না। বিভিন্ন দিকে উড়াউড়ি করে। ঠিক সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্তে মশা কামড়ায়। এজন্য ফগিংটা হওয়া উচিত সেই সময়ে। তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু কমাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, মশা ও মানুষের সংযোগের বিচ্ছেদ ঘটাতে হবে। এজন্য মশারি ব্যবহার করতে হবে, মশা নিয়ন্ত্রণের স্প্রে ব্যবহার, ফুলহাতা জামা ও প্যান্ট পরা, নিয়মিত বিরতিতে জমে থাকা পানি ফেলে দেওয়াসহ পূর্ণাঙ্গ মশা মারতে হবে। সংবাদ সম্মেলন থেকে বলা হয়, বর্তমানে বলা হচ্ছে যে, দূষিত পানিতেও এডিস মশা জন্মায়। এটা পুরোপুরি অবৈজ্ঞানিক ও ভিত্তিহীন। এ নিয়ে কেউ পূর্ণাঙ্গ গবেষণা করেনি। এডিস মশা কখনওই দূষিত পানিতে জন্মায় না। এছাড়াও বলা হচ্ছে তিন দিনের জমা পানিতে এডিস মশা জন্মায়, কিন্তু বিষয়টি তা নয়। এডিস মশা জন্মাতে অন্তত সাতদিন সময় লাগে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব মার্গুব মোরশেদ, কীটতত্ত্ববিদ ইন্দ্রাণী ধর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল কীটতত্ত্ববিদ তাহমিনা আক্তার প্রমুখ।

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris