স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহীর নগরীর সাতবাড়িয়া এলাকায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ হয়েছে। শুক্রবার (২১ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাজশাহীর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধারে কাজ করছে। নিখোঁজ দুই শিশুরা হলো নগরীর সাতবাড়িয়া এলাকার শুকুর আলীর ছেলে সিয়াম (১২) ও চরসাতবাড়িয়া এলাকার লেব্বাস আলীর ছেলে সানজিদ (১১)।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, আজ বেলা ১১টার দিকে সিয়াম ও সানজিদ এক সাথে বাড়ির অদুরে পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায়। গোসলের এক পর্যায়ে তারা দুজনই গভীর পানিতে তোলিয়ে যায়। এসময় স্থানীয়রা চেষ্টা করেও তাদের উদ্ধার করে পারেনি। পরে স্থানীয় লোকজন রাজশাহীর ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ডুবুরি দল তাদের উদ্ধারে কাজ শুরু করে। মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, দুপুরে দুই শিশু পদ্মা নদীতে গোসল করতে যায়। এক পর্যায়ে তারা পানিতে ডুবে যায়। বর্তমানে তারা নিখোঁজ রয়েছে। খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রাজশাহী সদর দপ্তরের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আব্দুর রউফ জানান, খবর পেয়ে সদর দপ্তরের দুটি ডুবুরি ইউনিটকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পদ্মা নদীতে নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানে উদ্ধারকাজ চলছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করতে পারেনি ডুবুরি দল।
এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা নদীতে গোসলে নেমে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু ও এক কিশোরী নিখোঁজ রয়েছে। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা সদর উপজেলার চরবাগডাঙা ইউনিয়ন পরিষদের পশ্চিম ঘাটে এ ঘটনা ঘটে। মৃতি উদ্ধার শিশুটির নাম রেসমা খাতুন (৭)। সে ওই ইউনিয়নের সোনাপট্টি গ্রামের রেহসান আলীর মেয়ে। আর নিখোঁজ কিশোরী নাম মোসলেমা খাতুন (১৪)। সে কটাপাড়ার মো. গুমানির মেয়ে। শিশু দু’টির আত্মীয় মজিবুর রহমান জানান, ওই ঘাটে পদ্মা নদীতে গোসলে যায় মামাতো-ফুফাতো বোন রেসমা ও মোসলেমা। এ সময় নদীতে ডুবে যায় দুই বোন। পরে স্থানীয়রা রেসমার লাশ উদ্ধার করলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছে মোসলেমা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার পরিদর্শক মাহফুজুল হক জানান, একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ মোসলেমার মরদেহের সন্ধানে রাজশাহীর ডুবুরি দল কাজ করছে।