স্টাফ রিপোর্টার
ঈদকে সামনে রেখে রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন স্থানের বিপনীবিতান, দোকান ও বিভিন্ন শোরুমগুলোতে উপচে পড়া ভিড় শুরু হয়েছে আট রমজান থেকেই। দিন যতই অগ্রসর হচ্ছে বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে ক্রেতাদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাচ্ছে জ্যামিতিক হারে। নগরীর অন্যান্য স্থানের ঈদবাজারের চাইতে প্রতিবারের ন্যায় সাহেব বাজার কেন্দ্রিক বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের আনাগোনা ও বিকিকিনির মাত্রাটা স্বাভাবিক কারনেই তুলনামুলক অনেক বেশি। যার কারণে জিরোপয়েন্ট থেকে আরডিএ মার্কেট হয়ে মনিচত্বর পর্যন্ত রাস্তার ঐ অংশটি বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের আনাগোনায় সর্বদাই থাকছে পরিপূর্ণ। পথচারিদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ফুটওভার ব্রীজ নির্মাণ করার পাশাপাশি ঐ রাস্তার আইল্যান্ডগুলোকে ঘিরে দেয়া হয়েছে যানবাহন চলাচলের বিঘ্নতা দূর করতে। কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেউ কেউ ওভারব্রীজ ব্যবহার না করে রাস্তার আইল্যান্ডে থাকা লোহার বেষ্টনির সামান্য একটু ফাঁকাস্থান দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসেচতন ব্যক্তিরা পারাপারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বিষয়টি যেনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজড়ে আসলেও কার্যকরি কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ সচেতন ব্যক্তিদের।
আইল্যান্ডে স্থাপন করা লোহার বেষ্টনির সর্বোচ্চ দুই ফিট ফাঁকা স্থান দিয়ে অহরহ পাড় হচ্ছেন মধ্যবয়সী থেকে শুরু করে কিশোর-কিশোরি, যুবক-যুবতী ছাড়াও মহিলা ও শিশু বাচ্চারাও। ঐ ফাঁকাস্থান দিয়ে প্রথমে শরীরের মাথাটি বের করে অতঃপর যে কোন একটি পা দিচ্ছেন রাস্তার উপরে। তারপর নিজের দেহের অংশবিশেষ ঐ ফাঁকাস্থান দিয়ে ধীরে ধীরে বের করে চলে আসছেন মূল রাস্তার উপরে। আইল্যান্ড ঘেষা রাস্তা দিয়ে সার্বক্ষণিক যাতায়াত করছে বিভিন্ন ধরনের গাড়ি। আইল্যান্ডের ঐ ফাঁকা অংশটি দিয়ে মাথা কিংবা পা বের করার সাথে সাথে চলমান গাড়ির ধাক্কা খেয়ে গুরুত্বও আহত হবার সমূহ সম্ভাবনা আর চরমঝুঁকি থাকলেও দেদাড়ছে পারাপার হবার এমন দৃশ্য দেখে অনেকেই হতবাক হয়ে মন্তব্যে বলেন, ওভারব্রীজ ব্যবহারে যাদের চরম অনীহা ঐসকল ব্যক্তিরা ছাড়াও সামান্য একটু রাস্তা ঘুরে আরডিএ মার্কেটে প্রবেশে যাদের অনিচ্ছা তারাই এই ঝুঁকিপূর্ণ শর্টকার্ট দ্বার বা স্থানটি ব্যবহার করছেন। শর্টকার্ট এই অবৈধ প্রবেশদ্বারটি যে কোন মুহূর্তে হতে পারে দূর্ঘটনার অন্যতম কারণ। আইল্যান্ডের ঐস্থানটুকু কেনো ফাঁকা রাখা হয়েছে সেটি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। এটি কি ফাঁকা রাখা হয়েছে নাকি সুবিধাভোগিরা সেটিকে নিজস্বার্থে সেটি ভেঙ্গে ফেলেছে বিষয়টি তদারকিপূর্বক ব্যবস্থা নেবার আহ্বান জানান সচেতন ব্যক্তিরা।