বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে আশ্বস্ত হয়েছেন তার সহপাঠীরা। তদন্তকারী সংস্থা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছ থেকে বিভিন্ন আলামত দেখে এগুলো প্রাসঙ্গিক বলে দাবি করেন তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার বুয়েটের ৪০ জন শিক্ষার্থী ফারদিনের আত্মহত্যার বিষয়ে জানতে মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ে আসেন। প্রায় তিন ঘণ্টা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষার্থীরা আশ্বস্তের কথা জানান। তবে তারা নিজেদের নাম-পরিচয় জানাতে রাজি হননি। এক বুয়েট শিক্ষার্থী বলেন, ডিবি কর্মকর্তারা আমাদের আলামতগুলো দেখিয়েছেন। সবকিছু দেখে আমাদের কাছে প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। আমাদের মনে হয়েছে, তদন্তে ডিবি তাদের বেস্ট এফোর্ট দিয়েছে। তবে কিছু গ্যাপ আছে। যেগুলো হয়তো আগামগামীতে সমাধান করবে তারা। গ্যাপ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, তাদের এভিডেন্স সবকিছুই প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। তবে ফারদিনকে ব্রিজের পাড়ে নামিয়ে দেওয়ার পর হেঁটে সে ব্রিজের মাঝখানে গিয়েছে। তার সঙ্গে আর কেউ ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে আমরা ডিবির কার্যকলাপ ও সহযোগিতায় আশ্বস্ত। তিনি বলেন, তারা (ডিবি) এখনো মামলার রিপোর্ট জমা দেয়নি, সেখানে হয়তো কিছু না কিছু বাদ আছে। এজন্যই তারা এখনো রিপোর্ট জমা দেয়নি। ডিবি প্রথম দিন থেকে যে কাজ করছে, তা আমাদের দেখিয়েছে। তাদের অগ্রগতির ধরন দেখে আমরা সন্তুষ্ট। তাদের ধন্যবাদ। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ফারদিনের আত্মহত্যার হানড্রেড পার্সেন্ট মোটিভ নেই। যেসব এভিডেন্স আছে, তাতে সারকামস্ট্যান্সেস (স্থান বা অবস্থা) এভিডেন্স নেই। এ জায়গায় আরেকটু কাজ করা যেতে পারে। তারা বলেছে কাজ করবে। পরবর্তী কর্মসূচীর বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা জানান, বুয়েটে গিয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা করে জানানো হবে।