শনিবার

৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি হল ভ্যাকসিন, মানবদেহে সফল পরীক্ষা বাগমারার তাহেরপুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ পাবনায় নতুন বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে : শিল্পমন্ত্রী নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফ’র পুশইনের অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিলো বিজিবি তানোরে যেভাবে প্রাণ গেলো ৭টি গরুর তানোরে খাল পুনঃখনন পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক গোমস্তাপুরের বাঙ্গাবাড়ি সীমানে ২৮ জনকে পুশইনের আপচেষ্টা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষণা-প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তির সাহায্যে ভুল-অপতথ্যের প্রচার মোকাবিলা এখন বড় চ্যালেঞ্জ : তথ্যমন্ত্রী

২০ জানুয়ারির মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি শেষের নির্দেশ

Paris
Update : শনিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২১

এফএনএস : সরকারি স্কুলে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি ২০ জানুয়ারির মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ ছাড়া ২১ থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ভর্তিও শেষ করতে হবে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অধিদপ্তর থেকে সারাদেশের সব সরকারি স্কুলে এ নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, ভর্তির সময় কোটা ও অন্যান্য সকল কাগজ যাচাই করে এ সময়ের মধ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

অধিদপ্তর বলছে, লটারির ফল অনুযায়ী স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মূল জন্মনিবন্ধন সনদ, মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা সনদ, সংরক্ষিত কোটা থাকলে সে সংক্রান্ত কাগজ যাচাই করে ২০ জানুয়ারির মধ্যে সরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে হবে। আর ২১ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষমাণ তালিকায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি শেষ করতে হবে। এর আগে ১১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে লটারির মাধ্যমে সারাদেশের ৩৯০টি স্কুলের ৭৭ হাজার ১৪৪জন শিক্ষার্থীকে বাচাই করা হয়।

সেই সঙ্গে সমপরিমাণ অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রকাশ করা হয়। এদিকে ভর্তির জন্য নির্বাচিত তালিকায় নানান ধরনের ভুল ধরা পড়েছে। বালককে বালিকা স্কুলে ভর্তির সুপারিশ করা হয়েছে আবার বালিকাকে বালক স্কুলে ভর্তির সুপারিশও করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্যাচমেন্ট এরিয়াসহ আরও কিছু ভুল ধরা পড়ছে। এসব ভুল সংশোধনের জন্য একটি কমিটি কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুক।

তিনি বলেন, যে ভুলগুলো এখন পর্যন্ত ধরা পড়েছে, তা আবেদনকারীই করেছে। তারপরও এগুলো সংশোধনের সুযোগ দেয়া হবে। এ বিষয়ে আমরা ব্যবস্থাকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটকের সঙ্গে আলোচনা করেছি। সফটওয়্যারের মাধ্যমে এ ধরনের ভুল হলে তা সংশোধন করা হবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris