এফএনএস : কার্যত ধ্বংসস্তূপ ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ-সহ বেশ কয়েকটি শহর। বিদেশি অস্ত্রে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তুললেও ক্রমে কোণঠাসা হয়ে পড়ছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। কিন্তু কিয়েভের শত আর্জি সত্বেও সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে বা সেনা পাঠাতে নারাজ আমেরিকা ও ন্যাটো। এই পরিস্থিতিতে ন্যাটোর প্রতি আবারো যুদ্ধবিমান ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। এর আগে, ইউক্রেনে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণার আবেদন নাকচ করায় ন্যাটোর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলেনস্কি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ন্যাটো জোটের কাছে ইউক্রেনের আকাশকে ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করার আবেদন জানিয়েছিলেন জেলেনস্কি। শুক্রবার সেই আবেদন খারিজ করে দেয় ন্যাটো। এই সিদ্ধান্তের সপক্ষে ন্যাটো জোটের যুক্তি, ইউক্রেনের আকাশে ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করলে রাশিয়ার সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। তারপরই ক্ষোভ উগরে দেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের আকাশপথকে সুরক্ষা দিতে নারাজ ন্যাটো।
তারা এমন একটা ধারণা তৈরি করেছে যে আকাশপথ বন্ধ করলে সরাসরি রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বেধে যাবে। এটা এমন দুর্বল ও অনিশ্চয়তায় জর্জরিতদের ধারণা যাদের কাছে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি অস্ত্র রয়েছে। আজ থেকে সব মৃত্যুর দায় ন্যাটোর।’ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করে রাশিয়া। কিয়েভ, খারকভ-সহ বেশ কয়েকটি শহর এখন অবরুদ্ধ।