২১ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

১৯ মার্চ সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি মন্ত্রীর

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০২১, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়
১৯ মার্চ সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি মন্ত্রীর
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে পাকিস্তানি পেটুয়া বাহিনীর বিরুদ্ধে অনেকগুলো সশস্ত্র আন্দোলন করেছি। ২৬ মার্চের আগে ১৯ মার্চেই একমাত্র প্রথম ও শেষ প্রতিরোধ যুদ্ধ হয়েছে পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে। এটা স্বীকৃতির দাবি রাখে। ‘মহান স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় তৃণমূল চিত্র এবং জাতীয় ইতিহাস’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, ১৬ ডিসেম্বর আমরা পাকিস্তান বাহিনীকে পরাজিত করে দেশকে শত্রুমুক্ত করে ছিলাম। বিজয় দিবস পেয়েছিলাম। সেই বিজয় দিবস পূর্ণতা লাভ করেনি। বঙ্গবন্ধু ৮ জানুয়ারি মুক্তি পেয়ে ১০ জানুয়ারি দেশের মাটিতে পা রাখার মাধ্যমে আমাদের বিজয় দিবসের পূর্ণতা লাভ করে। সেদিন গাজীপুরের দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্ট থেকে সব অস্ত্র নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছিল পাকিস্তানিরা। তারা বলেছিল, বাঙালিদের কাছে অস্ত্র থাকা নিরাপদ নয়। ১৭ মার্চ আমরা বঙ্গবন্ধুর কাছে গেলাম। বললাম, দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিরস্ত্র করে সকল অস্ত্র নিয়ে যাওয়া হবে।

তখন তিনি এমন ধমক দিলে, বললে আমাকে যদি এই কথা বলে দিতে হয় তাহলে তোরা কী শিখলি? তখন তিনি বললেন, যে কোনও মূল্যে প্রতিরোধ করতে হবে। আমরা তার নির্দেশ পেয়ে তৎক্ষণিকভাবে চলে গেলাম। তিনি আরও বলেন, তারা সেদিন কৌশল নেয় বাঙালি সেনাদের নিরস্ত্র করে রাখতে। তাই সে সময় পাকিস্তানি কুখ্যাত ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব সেদিন গাজীপুরের জয়দেবপুরের সেকেন্ড বেঙ্গর রেজিমেন্টে গিয়েছিলেন সব অস্ত্র নিয়ে আসতে।

সেদিন বাঙালি সেনারা যাতে কোনও প্রতিরোধ করতে না পেরে সেজন্য তাদেরকে সামনের কাতারে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাঙালি সেনারা কারও ওপর গুলি করেনি। তারা আকাশে ফাঁকাগুলি করেছিল। এই দিনটি আমাদের স্বাধীনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট ছিল। কাজেই মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাসের স্বার্থে এর স্বীকৃতি দাবি রাখে। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, সঠিক ইতিহাস যেন উঠে আসে। যার যেখানে জায়গা তাকে যেন সেখানে স্থান দেওয়া হয়। তাহলে ইতিহাস টিকে থাকবে না।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন