বিএমডিএ’র গভীর নলকূপ সৌর বিদ্যুৎতে রূপান্তরে কমিটির প্রথম সভা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) অধীনস্থ বিদ্যুৎ চালিত গভীর নলকূপ গুলো সৌর বিদ্যুৎতে রূপান্তরের লক্ষ্যে কৃষিমন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (সচিব পদমর্যাদা) কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। সভায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ ও বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম খান (গ্রেড-২) সহ আন্তঃমন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বরেন্দ্র অঞ্চলের সেচব্যবস্থায় বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপগুলো পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতে রূপান্তরের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, সেচে এর ব্যবহার, নেট মিটারিং ব্যবস্থা এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় বলা হয়, সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক গভীর নলকূপ স্থাপনের ক্ষেত্রে নেট মিটারিং ব্যবস্থা চালু করা গেলে দিনের বেলায় সেচের প্রয়োজন মিটিয়ে অতিরিক্ত উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে একদিকে বিএমডিএর বিদ্যুৎ ব্যয় কমবে, অন্যদিকে জাতীয় গ্রিডে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।
কমিটির আহ্বায়ক কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেন, সৌরবিদ্যুতে গভীর নলকূপ রূপান্তরের মাধ্যমে একদিকে সেচের পরিচালন ব্যয় কমানো সম্ভব হবে, অন্যদিকে নেট মিটারিংয়ের আওতায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়া যাবে। এর সুফল কৃষক ও রাষ্ট্রউভয়ই পাবে। দীর্ঘমেয়াদে এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের টেকসই সেচব্যবস্থা গড়ে তুলতে গুরুপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জীবাশ্ম জ্বালানি ও প্রচলিত বিদ্যুৎতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়বে। একই সঙ্গে সেচ ব্যয় হ্রাস পাওয়ায় কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশের ওপর চাপও কমবে বলে সভায় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
