৫ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

সাপাহারে বিচারাধীন দিঘিতে মাছ ধরার অভিযোগ বন বিভাগের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত: ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: আঞ্চলিক
সাপাহারে বিচারাধীন দিঘিতে মাছ ধরার অভিযোগ বন বিভাগের বিরুদ্ধে
বিজ্ঞাপন

তোফায়েল আহমেদ, সাপাহার : নওগাঁর সাপাহারে দিঘির মালিকানা ও দখল নিয়ে সামাজিক বন বিভাগ ও একটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। এর মধ্যেই ওই বিচারাধীন দিঘিতে বন বিভাগের লোকজন জাল ফেলে মাছ ধরেছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বন বিভাগ বলছে, মাছ ধরার জন্য নয়, দিঘির আগাছা পরিষ্কারের উদ্দেশ্যে জাল ব্যবহার করা হচ্ছে।
আদালতের নথি সূত্রে জানা যায়, বিরোধপূর্ণ দিঘির স্বত্ব নিয়ে সামাজিক বন বিভাগ, রাজশাহীর পক্ষে সাপাহার ফরেস্ট বিট অফিসার বাদী হয়ে নওগাঁর যুগ্ম জেলা জজ, দ্বিতীয় আদালতে ২৯/২০১৭ নম্বর স্বত্ব ঘোষণার মামলা করেন। চলতি বছরের ১৩ আগস্ট মামলাটির রায়ে আদালত নালিশি সম্পত্তিতে সামাজিক বন বিভাগের স্বত্ব ঘোষণা করে ডিক্রি দেন। ওই রায়ের বিরুদ্ধে মোঃ জাহিদুল ইসলাম নওগাঁ জেলা জজ আদালতে ৯১/২০২৬ নম্বর স্বত্ব আপিল মামলা দায়ের করেছেন। আপিলের পাশাপাশি তিনি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আদালত রেসপনডেন্ট পক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দিঘিতে প্রবেশ, মাছ ধরা, গাছপালা কাটা কিংবা লিজ দেওয়ার বিষয়ে কেন অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়েছেন।
আপিলকারী পক্ষের দাবি, প্রায় ৭ দশমিক ২৯ একর আয়তনের দিঘিটি দীর্ঘদিন ধরে তারা মাছ চাষসহ ভোগদখল করে আসছেন। বন বিভাগ দিঘিটির মালিকানা দাবি করলেও তাদের সেই দাবি সঠিক নয় বলেও দাবি করেছে আপিলকারী পক্ষ।
এদিকে দিঘিতে জাল ফেলে মাছ ধরার অভিযোগের বিষয়ে খঞ্জনপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মতিউর রহমান বলেন, “দিঘিটির বিষয়ে বন বিভাগের পক্ষে আদালতের রায় রয়েছে। দিঘিতে প্রচুর আগাছা থাকায় জাল ফেলে সেগুলো পরিষ্কার করা হচ্ছে। পরবর্তীতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে দিঘিটি লিজ দেওয়া হবে।”
মালিকানা ও দখল নিয়ে দায়ের করা আপিল মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। ফলে বিরোধপূর্ণ দিঘিটির চূড়ান্ত মালিকানা ও দখল কার—সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত আপিল আদালতের আদেশের ওপরই নির্ভর করছে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন