সর্বশেষ সংবাদ
‘আলুর গোল্লা’ খেতে বাগমারায় আসছেন দুর-দুরান্তের মানুষ পুঠিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ-পথসভা চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যেখানে জন্ম সেখানেই বিদায় ট্রাম্পের মন্তব্য, আমাকে হত্যার ছক কষছে ইরান দেশের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতালের অনুমোদন, ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হচ্ছে ৪১৮টি কমিটি গঠন নিয়ে সাপাহারে আদিবাসী পরিষদের একাংশের সংবাদ সম্মেলন বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ১১ মৃত্যু, উদযাপন নিয়ন্ত্রণে হাইকোর্টে রিট রাজশাহী শহর বাঁধ দখলমুক্ত ও সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণে উচ্ছেদ অভিযান কুয়েত-বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ইরানে রাতভর ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

‘চীন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিদেশিদের তথ্য সংগ্রহ করছে’

Paris
Update : রবিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২২

এফএনএস : চীনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুপ্রবেশ করে বিদেশি নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করার অভিযোগ উঠেছে। দেশটির পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর জন্য এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে ওয়াশিংটন পোস্ট’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়। খবর এনডিটিভি। চীনের শত শত দরপত্রের নথি, চুক্তি ও কোম্পানির ফাইল পর্যালোচনা করে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, তথ্য নজরদারি পরিষেবাগুলোর একটি দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে চীন, যা গত এক দশকে তৈরি করা হয়েছিল।

অনলাইনে রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল তথ্যগুলো অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়। দেশীয় ইন্টারন্টে ব্যবহারকারী ও মিডিয়াকে লক্ষ্য করে এই সফটওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ফেসবুক ও টুইটারসহ পশ্চিমা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম থেকে বিদেশিদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রকাশিত ওই প্রতিদেবনে আরও বলা হয়, নথিগুলোতে দেখা যায়- চীনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়া, প্রচার বিভাগ, পুলিশ ও সামরিকসহ সাইবার নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো তথ্য সংগ্রহের জন্য অত্যাধুনিক সিস্টেম ক্রয় করেছে।

আর চীনা রাষ্ট্রীয় মিডিয়া সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিদেশি সাংবাদিক এবং শিক্ষাবিদদের একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরি করতে টুইটার এবং ফেসবুককে অনুপ্রবেশ করে। ওই প্রতিবেদনটি আরও জানা যায়, বেইজিং পুলিশের একটি গোয়েন্দা একইভাবে হংকং এবং তাইওয়ানের সঙ্গে পশ্চিমাদের যোগাযোগের বিষয়বস্তুগুলো বিশ্লেষণ করে। এর মধ্যে বিদেশে উইঘুর ভাষার বিষয়বস্তুগুলোও রয়েছে। চীনের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের রিপোর্টিং দলে কাজ করা একজন বিশ্লেষক বলেন, ‘চীন বিরোধীদের গোপন নেটওয়ার্ক সম্পর্কে এখন আমরা আরও ভালভাবে বুঝতে পারি।’

চীনের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে টুইটারে কি ধরনের নেতিবাচক প্রচার চালান হয়- সেই বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য ওই দলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিকদের প্রোফাইলসহ সকল তথ্য সংগ্রহ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। জার্মান মার্শাল ফান্ডের সিনিয়র ফেলো মারেইকে ওহলবার্গ বলেন, তারা এই ব্যবস্থাকে পরিবর্তিত পরিস্থিতে পুনরায় নির্মাণ করেছে। এটা অনেক ভয়ঙ্কর বিষয় বলে আমি মনে করি। এর মধ্যমে অনেক তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এসব দেখে মনে হচ্ছে, বিদেশে চীনকে রক্ষা করা এবং বিদেশে জনমতের বিরুদ্ধে লড়াই করা এখন তাদের দায়িত্ব বলে ভেবে নিয়েছেন তারা।’


আরোও অন্যান্য খবর
Paris