স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী রোগীর সাথে চিকিৎসকের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার সকালে রাজশাহী চেম্বর অব কমার্স মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. নাইমুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরেন চেম্বরের সাবেক পরিচালক হারুনুর রশীদ। লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, তার স্ত্রী লায়লা রশীদ চোখের সমস্যায় পড়লে চিকিৎসক নাইমুল হকের স্মরনাপন্ন হন। সে সময় তিনি একটি ইনজেকশনের জন্য ৩০ হাজার টাকার কথা জানান। পরে তা বাদ দিয়ে ৯ হাজার টাকার ইনজেকশন পুশ করা হয়।
এভাবে তিনটি ইনজেকশন পুশ করে মোট ৪৬ হাজার টাকা নেয়। হারুনুর রশীদ আরও বলেন, ৪৬ হাজার টাকা নিয়ে তিনটি ইনজেকশন করা হলেও চোখের কোন উন্নতি হয়নি। এর পর আবারো অপারেশন করার কথা বলেন চিকিৎসক নাইমুল হক। এছাড়াও চিকিৎসার জন্য তার কাছ থেকে কয়েকগুন বেশি টাকা নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পরে চিকিৎসক ডা. মাহফুজুল ইসলামকে দেখানো হয়। তিনি পরীক্ষা করে জানান তার স্ত্রীর চোখে ইনজেকশন দেয়ার লক্ষন নেই। যদি দিয়েও থাকে তবে ইনজেকশনের নামে স্যালাইন পানি পুশ করা হয়েছে।
পরে তিনি ৯০ হাজার টাকা নিয়ে তিনটি ইনজেকশন করে। এতে তার স্ত্রীর চোখ ভাল হয়ে যায়। হারুনুর রশীদ আরও বলেন, ডা. নাইমুল হকের এই প্রতারণার প্রতিকার চেয়ে চিকিৎসক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে গিয়েও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি বাধ্য হয়ে সাংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছি। কারণ এ ধারণের প্রতারণার শিকার যেন আরও কেউ না হয়। চিকিৎসক নাইমুল হকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান হারুনুর রশীদ।