করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সংখ্যা ৮৪ দিন পর সর্বনিম্ন। এর আগে গত ১৫ জুন ৫০ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৬ হাজার ৭৩৬ জনে। এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে টানা দুইদিন পুরুষের চেয়ে নারীর মৃত্যু বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সারাদেশে যে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে পুরুষ ২০ জন ও নারী ৩২ জন। শতাংশের হিসাবে প্রায় ৬২ শতাংশই নারী।- এফএনএস
এর পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ ও ৩৭ জন নারী। পুরুষের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ মৃত্যু ছিল নারীর। এখন পর্যন্ত করোনায় মোট মৃত্যু ২৬ হাজার ৭৩৬ জনের মধ্যে পুরুষ ১৭ হাজার ২৫৯ জন (৬৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ) ও নারী ৯ হাজার ৪৭৭ জন (৩৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ)। গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ৭৯৯টি ল্যাবরেটরিতে ২৭ হাজার ৩৭৮টি নমুনা সংগ্রহ ও ২৭ হাজার ৫২৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়ালো ৯১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৭১টি। একই সময়ে নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৪৯৭ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ২২ হাজার ৩০২ জনে। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৯ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত শনাক্তের মোট হার ১৬ দশমিক শূন্য ৬৪ শতাংশ। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিন হাজার ৮৪০ জন।
এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৯৪ জন। সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ২১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৫২ জনের মধ্যে বিশোর্ধ্ব তিনজন, ত্রিশোর্ধ্ব তিনজন, চল্লিশোর্ধ্ব আটজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১৪ জন, ষাটোর্ধ্ব ১৬ জন, সত্তরোর্ধ্ব ছয়জন ও আশি-ঊর্ধ্ব দুইজন রয়েছে। বিভাগওয়ারী হিসাবে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগে ২০ জন, চট্টগ্রামে ১৫ জন, রাজশাহীতে একজন, খুলনায় ৯ জন, বরিশালে দুইজন, সিলেটে তিনজন ও রংপুর বিভাগে দুইজনের মৃত্যু হয়।