সর্বশেষ সংবাদ
‘আলুর গোল্লা’ খেতে বাগমারায় আসছেন দুর-দুরান্তের মানুষ পুঠিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ-পথসভা চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, যেখানে জন্ম সেখানেই বিদায় ট্রাম্পের মন্তব্য, আমাকে হত্যার ছক কষছে ইরান দেশের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতালের অনুমোদন, ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হচ্ছে ৪১৮টি কমিটি গঠন নিয়ে সাপাহারে আদিবাসী পরিষদের একাংশের সংবাদ সম্মেলন বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ১১ মৃত্যু, উদযাপন নিয়ন্ত্রণে হাইকোর্টে রিট রাজশাহী শহর বাঁধ দখলমুক্ত ও সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণে উচ্ছেদ অভিযান কুয়েত-বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ইরানে রাতভর ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের

দেশ দখলে নিলেও পাঞ্জশির রাজ্যে পরাজিত তালেবান

Paris
Update : রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০২১
দেশ দখলে নিলেও এক রাজ্যে এখনও পরাজিত তালেবান, আরটিভি

এফএনএস : মাত্র ১০ দিনের মধ্যে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানদের হাতে চলে গেলেও এখনও একটি জায়গা দখল করতে পারেনি তারা। বরং সেখানে তারা পরাজিত এমনটাই বলা যায়। সেই জায়গাটি হচ্ছে পাঞ্জশির উপত্যকা। এই অঞ্চলটি আফগানিস্তানের উত্তরে অবস্থিত। খবর ডয়চে ভেলের। আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে অবস্থিত পাঞ্জশির উপত্যকা। আফগান সরকারের পতনের পর মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন- ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিসমিল্লাহ মোহাম্মাদী। তালেবানরা রোববার দেশ দখল করে নেয়ার পর প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে যান।

এরপর নিজেকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন সালেহ। এক টুইট বার্তায় তিনি লিখেন, আমি কখনই এবং কোনও পরিস্থিতিতেই তালেবান সন্ত্রাসীদের সামনে মাথা নত করবো না। আমি কখনও আমার নায়ক কমান্ডার, কিংবদন্তী এবং পথপ্রদর্শক আহমাদ শাহ মাসুদের আত্মা এবং লিগ্যাসির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবো না। আফগান সামরিক ইতিহাসেও গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা রয়েছে পাঞ্জশির উপত্যকার। কারণ ভৌগোলিকভাবে পুরো দেশের সঙ্গে এই এলাকা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। উপত্যকায় প্রবেশের একমাত্র পথ হচ্ছে পাঞ্জশির নদীর সৃষ্টি করা একটি সংকীর্ণ পথ। তাই সামরিকভাবে এই উপত্যকাটি বেশ সুরক্ষিত।

হিন্দুকুশ পর্বতের কোলে অবস্থিত পাঞ্জশির উপত্যকা প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষার জন্য সুপরিচিত। ১৯৯০-র দশকে গৃহযুদ্ধের সময় তালেবানদের হাতেও পতন হয়নি এই অঞ্চলটির। এমনকি সোভিয়েতরাও এই উপত্যকা জয় করতে পারেনি। এই উপত্যকার দেড় লাখ বাসিন্দার অধিকাংশই তাজিক জাতিগোষ্ঠীর। আর বাকিদের মধ্যে অধিকাংশ পশতুন। এই উপত্যকায় প্রচুর পরিমাণে পান্না পাওয়া যায়। তাই ক্ষমতায় থাকাদের বিরুদ্ধে অতীতে লড়াই-সংগ্রামের জন্য অর্থের খুব একটা অভাব হয়নি উপত্যকাটির। তালেবানরা ক্ষমতা দখল করে নেয়ার আগে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আরও বেশি স্বায়ত্তশাসন দাবি করেছিল পাঞ্জশির প্রদেশ।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris