২১ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

মেজর সিনহা হত্যাকান্ড সাবেক কনস্টেবল সাগরের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট

প্রকাশিত: ২২ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়
মেজর সিনহা হত্যাকান্ড সাবেক কনস্টেবল সাগরের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলার পলাতক আসামি টেকনাফ থানার সাবেক কনস্টেবল সাগর দেবের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহ এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম। তিনি বলেছেন, র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তার দেয়া চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত।

একই সঙ্গে এ মামলার পলাতক আসামি সাবকে কনস্টেবল সাগর দেবের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এ ছাড়া টেকনাফ থানা পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সিফাত ও শিপ্রাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। দীর্ঘ চার মাস আট দিন তদন্ত শেষে গত ১৩ ডিসেম্বর টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেয় র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা মো. খায়রুল ইসলাম। চার্জশিটে সাগর দেব পলাতক বলে উল্লেখ্য করা হয়।

উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, ৩১ জুলাই রাত ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের দিকে আসার পথে বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে তল্লাশির নামে গাড়ি থেকে নামিয়ে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে, বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান ও টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ নয় জন পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটি তদন্তের আদেশ দেন র‌্যাবকে।

গত ৬ আগস্ট প্রধান আসামি লিয়াকত আলী ও টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তীতে সিনহা হত্যার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার অভিযোগে পুলিশের করা মামলার তিন জন সাক্ষী শামলাপুর চেকপোস্টের দায়িত্বরত আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন ) তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

এ ছাড়া একই অভিযোগে পরে গ্রেফতার করা হয় টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক সদস্য কনস্টেবল রুবেল শর্মাকেও। মামলায় গ্রেফতারকৃত ১৪ আসামিদের র‌্যাবের তদন্তকারি কর্মকর্তা বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এদের মধ্যে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া ১২ জন আসামি আদালতে ঘটনার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলায় নতুন করে সাগর দেবকে আসামি করা হয়েছে।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন