১১ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অপ্রয়োজনে বের হলেই গুনতে হচ্ছে জরিমানা

প্রকাশিত: ২ জুন ২০২১, ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: lead
চাঁপাইনবাবগঞ্জে অপ্রয়োজনে বের হলেই গুনতে হচ্ছে জরিমানা
বিজ্ঞাপন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জে তৎপর প্রশাসন, বের হলেই পড়তে হচ্ছে জেরার মুখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমণ রোধে ঘোষিত দ্বিতীয় দফার লকডাউনের প্রথম দিন ছিল গতকাল মঙ্গলবার। প্রথম দিনই লকডাউন মেনে চলতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশের চেক পোস্ট ছিলো। বিনা কারণে ঘর থেকে বের হলেই পড়তে হচ্ছে জেরার মুখে।

বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলে তাদের জরিমানা করা হচ্ছে। আর যারা প্রয়োজনে বের হয়েছেন তারা যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন সেই বিষয়ে কাজ করছে পুলিশ। জেলা শহরের বিশ্বরোড, অক্টয় মোড়, সিসিডিবি মোড়, নয়াগলা মোড়, কোর্ট চত্বর, নিউ মার্কেট, গাবতলা, শান্তি মোড়, শিবতলা, বারোঘরিয়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে সড়কে লোকজনের উপস্থিতি কম। বিশ্বরোড মোড়ে ওসমান নামে এক পথচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চেকপোস্টে দাঁড় করায় পুলিশ।

তার কাছে ঘর থেকে বের হওয়ার কারণ জানতে চান পুলিশ সদ্যসরা। ওই পথচারী সঠিক জবাব দিতে না পারায় তাকে মুচলেকা দিয়ে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ফেরদৌস অনু নামে এক ইন্টারনেট ব্যবসায়ী বলেন, ‘জরুরি কাজের জন্য শিবগঞ্জ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ এসেছি। কিন্তু লকডাউনের কারণে বারোঘরিয়ার থেকে আমার অফিস পর্যন্ত কোনো গাড়ি পাইনি। অনেকটা পথ পায়ে হেঁটে অফিসে যেতে হয়েছে। আসার সময় দেখলাম, শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশের চেকপোস্ট রয়েছে।’

বারোঘরিয়ায় চেকপোস্টে কর্তব্যরত এক ট্রাফিক পুলিশ বলেন, ‘আমি সকাল থেকে এখানে ডিউটি করছি। শিবগঞ্জের দিক থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আর ভ্যানগুলো বেশি চলাচল করছে। তবে বাস বন্ধ রয়েছে। যাদের জরুরি প্রয়োজন তারা এগুলোতে করে যাতায়াত করছে। আমারা খেয়াল রাখছি, জেলা শহর থেকে যেন কেউ বাইরে যেতে না পারে আবার বাইরে থেকে কেউ যাতে জেলা শহরে ঢুকতে না পারে।

এদিকে, জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় এন্টিজেন টেস্টে ১৬৮ জনের নমুনায় ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৩৭ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জন মারা গেছেন। জেলায় করোনায় মারা গেছেন মোট ৩৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১১৯ জন।

এখন করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন ৬৮১ জন। তিনি বলেন, ‘সোনা মসজিদ বন্দর হয়ে মোট ৮৭ জন বাংলাদেশি ফিরেছেন। তাদের মধ্যে ৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। তাদের আধুনিক সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। ভারতীয় করোনার ধরন শনাক্ত হয়েছে এমন ৭ জনের বাড়ি চিহ্নিত করে তাদের বাড়িতে লাল পতাকা লাগানো হয়েছে। জেলায় বর্তমানে করোনা শনাক্তের হার ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন