মঙ্গলবার

১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
প্রচণ্ড গরমে নগরীতে সামাজিক সংগঠন ‘হেল্প ডোর’র বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ জনতা ব্যাংক কাদিরগঞ্জ শাখার এটিএম বুথের উদ্বোধন রাজশাহী বহুমুখী বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন রাজশাহীর ডিসি জীবিকার তাগিদে একসময়ের যাত্রার নায়ক সামাদের কাঁধে এখন দোতারা রাজশাহীকে বাসযোগ্য শহর গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় আরডিএ’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের গোদাগাড়ীতে মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের শপথ আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইটের দায়িত্ব গ্রহণ

তানোরে জীবিতকে মৃত দেখিয়ে বন্ধ করা হলো প্রতিবন্ধী ভাতা!

Paris
Update : শুক্রবার, ২৮ মে, ২০২১

তানোর প্রতিনিধি : রাজশাহীর তানোরে বাকপ্রতিবন্ধী এক আদিবাসী জীবিত নারীকে মৃত দেখিয়ে প্রতিবন্ধী ভাতা বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে অফিস পাড়ায় ব্যাপক তোলপাড় সৃস্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীর নাম শ্রীমতি মার্শিলা সরেন (৩২)। তার বাবা সুপল সরেন ও মা শ্রীমতি মতি ফুলমনি মূর্মূ মারা যাবার পর থেকে বড় ভাই জুয়েল সরেনের অভাবের সংসারে থাকেন মার্শিলার বাড়ি তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের যোগীশো আদিবাসী পাড়ায়।মার্শিলার জাতীয় পরিচয় পত্রে জন্ম তারিখ দেয়া হয়েছে ১২ অক্টোবর ১৯৮৮ সাল।

সমাজ সেবা অধিদপ্তর ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা পরিশোধ বই সূত্রে জানা গেছে, মার্শিলা সরেন ২০১৯ সাল এবং ২০২০ সালে জুলাই হতে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ২২৫০ টাকা করে প্রতিবন্ধীর ভাতা পেয়েছেন। সমাজ সেবা অধিদপ্তরের প্রতিবন্ধী ভাতা গ্রহনের বই ৯২৩। ব্যাংক হিসাব নং- ২৫৭। ২০২১ সালে তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। ফলে সে ২০২০ সালের জুলাই হতে সেপ্টেম্বর মাসের পর থেকে আর কোন প্রতিবন্ধী ভাতা পায়নি । মার্শিলার সরেনের বড় ভাই দিনের পর দিন তানোর সমাজ সেবা অফিসের ঘুরে বোনের প্রতিবন্ধী ভাতার বিষয়ে কোন সূরাহা করতে পারেন নি। সরেজমিন যোগীশো আদিবাসী পাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, দুপুর বেলা রোদের মধ্যে মার্শিলা সরেন বসে আছেন।

কথা হয় তার বড় ভাই জুয়েল সরেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমরা গরীব মানুষ। অভাবের সংসার আমাদের। কাজ না করলে পেটের ভাত জোটে না। বাবা-মা মারা যাবার পর থেকে মার্শিলা আমি ও আমার রৌ দেখবাহাল করি। ছোটের বোনের প্রতিবন্ধী ভাতা বন্ধ করে দিয়েছে অফিসের বড় বাবুরা। আমার বোন নাকি মরে গেছে। আমার বোন জীবিত আছে এ মর্মে পাঁচন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহেব আমাকে একটি প্রত্যায়নপত্র দিয়েছে। কিন্তু সমাজ সেবা অফিসের বড় বড় বাবু রা বলছে আমার বোন মরে গেছে। ভোটার তালিকায় তোমার বোনের নাম নেয়।

সেজন্য তোমার বোনের প্রতিবন্ধী ভাতা বন্ধ হয়ে গেছে। তানোর উপজেলা পাঁচন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার যোগীশো গ্রামের শ্রী মতি মার্শিলা সরেন জীবিত আছে। এ মর্মে আমি মার্শিলার ভাই জুয়েল সরেনকে প্রত্যায়ন দিয়েছি। আমার পরিষদ থেকে মার্শিরা সরেনকে মৃত ঘোষণা করিনি তাহলে সমাজ সেবার কর্মকর্তারা কিভাবে তাকে মৃত বলেন। সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারা এর জন্য দায়ি।

তানোর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোহাম্মদ হোসেন খাঁন বলেন, ভোটার তালিকায় শ্রী মতি মার্শিলা সরেনের নাম নেয়। তাকে মৃত দেখানো হয়েছে। সে জন্য তার প্রতিবন্ধী ভাতা বন্ধ করা হয়েছে। তাহলে ইর্তি পূর্বে মার্শিলা সরেন কিভাবে ভাতা তুললেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগে কি ভাবে প্রতিবন্ধীর টাকা উত্তোল করেছে আমার জানা নেয়। বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইনের মাধ্যমে সব দেখে ভাতা প্রদান করা হয়। নির্বাচন অফিসকে বলুন বিষয়টি ঠিক করতে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris