মঙ্গলবার

১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
প্রচণ্ড গরমে নগরীতে সামাজিক সংগঠন ‘হেল্প ডোর’র বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ জনতা ব্যাংক কাদিরগঞ্জ শাখার এটিএম বুথের উদ্বোধন রাজশাহী বহুমুখী বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন রাজশাহীর ডিসি জীবিকার তাগিদে একসময়ের যাত্রার নায়ক সামাদের কাঁধে এখন দোতারা রাজশাহীকে বাসযোগ্য শহর গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় আরডিএ’র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের গোদাগাড়ীতে মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের শপথ আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরডিএ’র নতুন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইটের দায়িত্ব গ্রহণ

বাগমারায় খড় শুকানো হচ্ছে রাস্তায়, আশঙ্কা দুর্ঘটনার

Paris
Update : শনিবার, ২২ মে, ২০২১

শামীম রেজা, মচমইল : রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার প্রতিটি রাস্তায় এখন পরিনত হয়েছে খড় (গো খাদ্য) শুখানোর কাজে। বাড়ির খোলান বা আশপাশ ফেলে রেখে দিব্যি পাকা রাস্তা সহ মাটির সড়ক ব্যবহার করছে লোকজন। এতে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে লোকজনকে। দেখা যাচ্ছে না রাস্তার কোন ভাঙ্গণ। ফলে যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে অনাকাঙ্খিত ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখে চলেছেন।
উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন আর ২টি পৌরসভার প্রতিটি রাস্তায় যেন এখন মরণ ফাঁদ। একটু অসাবধান হলেই মৃত্যুর ঝুঁকি। রাস্তার উপরে খড় শুকানোর ফলে পিচ্ছিল হচ্ছে রাস্তা।

খড়ের উপরে গিয়ে গাড়ি ব্রেক দিয়ে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে গাড়ি পড়ে যাচ্ছে। এতে অনেক সময় হতাহতের ঘটনাও ঘটছে। প্রশাসনের সঠিক নজরদারি এবং তদারকি থাকলে এই অবস্থা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। প্রশাসনের তেমন ভূমিকা না থাকায় রাস্তা গুলোতে খড় শুখাচ্ছে লোকজন। এমনিতেই এবারের আবহাওয়া অন্যরকম। একদিন তাপদাহ হলে অন্যদিন বৃষ্টি। এরফলে বৃষ্টিতে ভেজে রাস্তার উপরে থাকা ওই সকল খড় আরো ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে। কোন যানবাহনকে সাইট দিতে গেলে আরেকটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। রাস্তায় খড় শুকানোর ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে চলাচল করছে মটর সাইকেল।

তবে দুই চাকার যানবাহনের চেয়ে একটু নিরাপদ ভাবে চলাচল করছে তিন চাকার যান। উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নে রাস্তার উপরে খড় শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন এক ব্যক্তি। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমার বাড়িতে তেমন জায়গা নেই তাই রাস্তায় এসেছি। বাড়ির কাছে কি দুরে সব জায়গাতেই রাস্তায় নেয়া হচ্ছে খড়। এমন করে খড় শুকানোর কাজ চলছে উপজেলার সর্বত্র। রাস্তার উপরে খড় শুকাতে দিলে তা দ্রুত শুকিয়ে যায়। রাস্তার উপরে অনেক যানবাহন চলাচল করায় খড়গুলোতে থাকা পানি দ্রুত বের হয়ে পড়ে।

এতে অল্প সময়ের মধ্যে রোদ লেগে শুকিয়ে যায়। বড়-বিহানালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন বলেন, রাস্তার উপরে খড় শুকানোর ফলে আমিও বিব্রত হয়ে পড়েছি। খড়ের উপর দিয়ে মটর সাইকেল নিয়ে চলাচল করা অনেক কষ্ট কর হয়ে পড়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই রাস্তার উপরে কেউ যেন খড় শুকাতে না পারে। একটু সচেতন হলে অনেক বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরিফ আহম্মেদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রাস্তার উপরে খড় শুকানোর বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিদ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris