২৬ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
ফুটপাত দখলমুক্তর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুর্নবাসনের উদ্যোগ রাসিকেরভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি২৬ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষকদের পাকাধান কাটার জরুরি আহ্বানচাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছাড়াই মামলা নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে : আইজিপিবাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে : এমপি মিলনপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকলোকসান-সঙ্কটের অজুহাতে বেসরকারি ব্যবস্থায় দেয়া হচ্ছে আরো অর্ধডজন ট্রেন

হাজী সেলিমের ১০ বছরের সাজা হাইকোর্টে বহাল

প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২১, ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: আইন-আদালত
হাজী সেলিমের ১০ বছরের সাজা হাইকোর্টে বহাল
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে বিচারিক আদালতের দেয়া ১৩ বছরের কারাদণ্ড কমিয়ে ১০ বছর বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

তবে তথ্য গোপনের অভিযোগে বিচারিক আদালতে তার যে তিন বছরের সাজা হয়েছিল, তা বাতিল করেছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগে হাজী সেলিমের করা আপিলের ওপর ২৪ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য গতকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট। ধার্য দিনে সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের করা আপিলের ওপর এ রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট ভার্চুয়াল বেঞ্চ।

২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে লালবাগ থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল তাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। পাশাপাশি ২০ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়। ২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হাজী সেলিম। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট তার সাজা বাতিল করেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক।

ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে হাইকোর্টে ওই আপিল (হাজী সেলিমের) পুনরায় শুনানি করতে বলা হয়। এরপর প্রায় পাঁচ বছর ওই আপিলের শুনানি হয়নি। সম্প্রতি আপিলটি শুনানির উদ্যোগ নেয় দুদক। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ নভেম্বর হাইকোর্ট বিচারিক আদালতে থাকা মামলার যাবতীয় নথি (এলসিআর) তলব করেন।

এরপর কয়েক দিবস শুনানি শেষে ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিলটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এ মামলায় দুদকের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। হাজী সেলিমের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার ও আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল তামান্না ফেরদৌস।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন