২০ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

প্রধানমন্ত্রী কাছে ভূমিমন্ত্রী মিনুর ছয় দফা দাবি পেশ

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ | বিভাগ: রাজশাহী
প্রধানমন্ত্রী কাছে ভূমিমন্ত্রী মিনুর ছয় দফা দাবি পেশ
বিজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীতে পদ্মা নদীর ওপর বহুপ্রতিক্ষিত পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ এবং হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক কার্গো সার্ভিস চালুর ব্যবস্থাসহ অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুনির্দিষ্ট ৬টি দাবি তুলে ধরেছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহীতে আখচাষিদের মাঝে প্রণোদনার অর্থ বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবিগুলো পেশ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বক্তব্যের শুরুতেই রাজশাহীকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত প্রিয় মাটি হিসেবে উল্লেখ করে মিনু বলেন, রাজশাহীর কৃষি, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগব্যবস্থাকে আধুনিক রূপ দিতে বর্তমান সরকারের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।
জনসভায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে রাজশাহীবাসীর পক্ষে সুনির্দিষ্ট ৬টি দাবি তুলে ধরেন:
১. পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ: ফারাক্কার বিরূপ প্রভাব থেকে উত্তরাঞ্চলের কৃষিব্যবস্থা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রাজশাহীতে পদ্মা নদীর ওপর পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা।
২. রামেক হাসপাতালের শয্যা বৃদ্ধি: রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের আধুনিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এবং শয্যা সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০-তে উন্নীত করা।
৩. শিশু হাসপাতাল চালু: রাজশাহীতে নির্মিত আধুনিক শিশু হাসপাতালটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা।
৪. বিমানবন্দরে কার্গো সার্ভিস: হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে কার্গো ফ্লাইট চালু করা, যাতে অঞ্চলের কৃষিপণ্য সরাসরি সিঙ্গাপুর ও দুবাইসহ আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি করা সম্ভব হয়।
৫. বাইপাস সড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ: দেশের অন্যতম প্রথম রাজশাহী বাইপাস সড়ককে আধুনিকায়ন করে দ্রুত ৬ লেনে রূপান্তর করা।
৬. ডেন্টাল কলেজ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা: স্বাস্থ্য ও উচ্চশিক্ষার প্রসারে রাজশাহীতে একটি পূর্ণাঙ্গ ডেন্টাল কলেজ চালু করা এবং বিশেষায়িত একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা। মিজানুর রহমান মিনু বলেন, কৃষিপ্রধান বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হলে রাজশাহীর অর্থনীতি নতুন দিগন্তে প্রবেশ করবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাঁর বক্তব্য শোনেন এবং দাবিনামা গ্রহণ করেন।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন