বুধবার

১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
প্রচলিত ধারার শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী দুইজন গ্রেফতার হলেও নগরীতে নির্মম প্রহারের প্রধান আসামীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে? রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারক্ষী ও বন্দীদের সেলুনে আধুনিকতার ছোঁয়া যে কারণে বিয়ে করেননি ববিতা হরমুজ পারাপারে নতুন নিয়ম চালু করল ইরান সাবেক কাউন্সিলর বেলালের মাতার জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত দুর্নীতি-সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক পরিচয়ে বিবেচনা না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণ-পুলিশের সম্পর্ক আস্থার হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে : প্রধানমন্ত্রী মব সহিংসতা কিশোর গ্যাং মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশকে কঠোর হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী আমাদের ছোটমনিরা ভবিষ্যতে জাতির নেতৃত্ব দিবে : ভূমিমন্ত্রী

সশস্ত্র বাহিনী রাষ্ট্রের সম্পদ, কোনো দল বা ব্যক্তির নয় : প্রধানমন্ত্রী

Paris
Update : রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬

সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়, এটি রাষ্ট্রের সম্পদ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত এই বাহিনীকে সবসময় দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। রোববার (১২এপ্রিল) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে পেশাদারিত্বে কোনো আপস না করার আহ্বান জানান এবং বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার প্রতিশ্রুতি দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সশস্ত্র বাহিনী দেশের সম্পদ। কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়।” তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার এই দায়িত্ব পালনে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা বিভাজন গ্রহণযোগ্য নয়। বক্তব্যে তিনি ২০২৪ সালের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন। তার ভাষায়, “দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা মানুষকে আশান্বিত করেছে।” বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী অস্থির সময় এবং প্রশাসনিক অচলাবস্থায় বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি আশ্বাস দেন, “পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” একইসঙ্গে গত দেড় দশকে সশস্ত্র বাহিনীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টারও সমালোচনা করেন তিনি। দরবারে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতেও বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদান দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় তিনি বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, “দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশকে ধারণ করতে হবে। সংবিধানের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। সততা, নিষ্ঠা ও ত্যাগের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অটুট রাখতে হবে।” বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সশস্ত্র বাহিনীর নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের ওপর জোর দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচন ও নিরাপত্তা ইস্যু সামনে রেখে এই বক্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। ঢাকায় অবস্থানরত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সদস্যরা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন, আর অন্যান্য স্থানের সদস্যরা ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন।-এফএনএস


আরোও অন্যান্য খবর
Paris