১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই, বাধা এলেই প্রতিরোধ ঘোষণা দিলো জামায়াতের মহিলা উইং

প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ | বিভাগ: lead
ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই, বাধা এলেই প্রতিরোধ ঘোষণা দিলো জামায়াতের মহিলা উইং
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন সামনে রেখে সারা দেশে নারী কর্মীদের ওপর হামলা ও গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। তবে কোনো বাধাই নারী ভোটারদের দমাতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা উইং। রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মহিলা উইংয়ের নেত্রীরা। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেত্রীরা ও মহিলা বিভাগের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল (মহিলা বিভাগ) নেসা সিদ্দিকা, সহকারী সেক্রেটারি সাইদা রহমান এবং রাজনৈতিক বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত ডা. হাবিবা চৌধুরী। বৈঠক শেষে ডা. হাবিবা চৌধুরী বলেন, দেশের মোট ভোটারের ৫০ শতাংশ নারী। আমরা একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে চাই। বিগত ১৫-১৬ বছর আমাদের মা-বোনেরা ভোট দিতে পারেননি। এবার সেই সুযোগ নষ্ট করতে একটি মহল গভীর ষড়যন্ত্র করছে। দেশের ১৫টি স্থানে নারীদের ওপর হামলার সচিত্র নথিপত্র আমরা কমিশনে জমা দিয়েছি। তিনি বলেন, আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। নারীরা অবলা নয়, আমরা সাহসী। যেখানে বাধা আসবে, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে ইনশাআল্লাহ। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নেসা সিদ্দিকা বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামী সংগঠন। আমরা কোরআনের বিধান মেনে চলি। আল্লাহ তায়ালা পুরুষকে নারীর পরিচালক বানিয়েছেন। তাই শীর্ষ পদে (আমির) নারী আসার বিষয়টি আমাদের কাছে মুখ্য নয়। মুখ্য হলো নারীর অধিকার আদায় হচ্ছে কি না। গত ৫৪ বছরে দেশে দুজন নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিন্তু নারীদের নিরাপত্তা কি বেড়েছে? আমরা এমন নেতৃত্ব চাই যারা মানবিক হবে। তিনি আরও জানান, জামায়াতে ইসলামীর মজলিসে শুরার উপদেষ্টা কমিটিতে প্রায় ৪৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধি রয়েছে এবং স্থানীয় নির্বাচনেও তারা বিপুলভাবে অংশগ্রহণ করছেন।

নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জামায়াত নেত্রীরা অভিযোগ করেন, মাঠ পর্যায়ে এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি। শরিফ ওসমান হাদি ও রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের উদাহরণ টেনে তারা বলেন, প্রশাসন ও ইসিকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কোনো নির্দিষ্ট দলের দিকে হেলে পড়লে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। বিএনপির পক্ষ থেকে করা বিভিন্ন অভিযোগকে ‘আজগুবি’ ও ‘ভীতু মানসিকতার লক্ষণ’ বলে মন্তব্য করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তারা দাবি করেন, জামায়াতের প্রতি জনগণের অভূতপূর্ব সমর্থন দেখে একটি পক্ষ অস্থির হয়ে অবান্তর কথা বলছে। স্মারকলিপি গ্রহণের পর নির্বাচন কমিশনাররা অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান ডা. হাবিবা চৌধুরী। তিনি বলেন, ইসি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে তারা পজিটিভলি বিষয়টি দেখবেন এবং ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে কাজ করবেন।-এফএনএস

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন