স্টাফ রিপোর্টার : তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি সাবেক চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালে জন্ম গ্রহন করেছিলেন। বাংলার রাখালরাজা, বাংলাদেশের উন্নয়নের রুপকার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন মেজর ছিলেন সে সময়ে ১৯৬০ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে বিয়ে হয়েছিলো। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হলে মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের হয়ে ভারতের বিপক্ষে যুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছিলেন। সে সময়ে বেগম জিয়ার বয়স হয়েছিলো মাত্র বিশ বছর। সে সময় থেকেই তিনি স্ট্রাগল করা শুরু করেন বলে পবার পারিলা ইউনিয়ন এলাকাবাসীর আয়োজনে বুধবার (০৭ জানয়ারি) বিকেলে রামচন্দ্রপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পবা-মোহনপুরের বিএনপি মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।
জীবনদশায় বেগম জিয়া সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাঁকে ওয়ান-ইলেভেন এর সময়ে সে সময়ের সরকার দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলেছিলেন। কিন্তু তিনি না যাওয়ায় তাঁর দুই সন্তান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোকে আটক করে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। সেই নির্যাতনের ভিডিও ও অডিও তাঁকে দেখানো ও শোনানো হতো বলে জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, এত কিছুর পরেও যখন বেগম জিয়া দেশ ছেড়ে যেতে চাননি তখন তাঁকে বলা হয়েছিলো। সন্তান আগে না দেশ আগে। তাঁর উত্তরে তিনি বলেছিলেন আমার সন্তান শুধু দুইটি নয়। এদেশের প্রতিটি মানুষ আমার সন্তান। এই সন্তানদের ছেড়ে আমি কোথাও যাবনা বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন। কোন প্রকার অন্যায়ের সাথে আপোস না করায় দেশবাসী তাঁকে আপোসহীন নেত্রী হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলো।
দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন পারিলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রেজাউল করিম। সদস্য সচিব মোখলেসুর রহমানের সঞ্চালনায় মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও নওহাটা পৌর সাবেক মেয়র ও নওহাটা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মকবুল হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য ও পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, আব্দুস সালাম, রাবি ক্রপ সান্সেস এনড টেক বিভাগের উপরেষ্টিটার আব্দুল গাফ্ফার, পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাইজুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সোহেল রানা, সদস্য মাজদার রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান লিটন, কৃষখ দলের আহ্বায়ক শফিকুল আলম সমাপ্ত, পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান, নওহাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রহমানসহ বিএনপি অঙ্গ ও সহোযাগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণ।