বৃহস্পতিবার

২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় সেনা সদস্যরা ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছে : সেনাপ্রধান ঈদের পরদিনই পরিচ্ছন্ন নগরী পাবেন রাজশাহী মহানগরবাসী : রাসিক প্রশাসক নগরীর দুই হত্যা মামলায় ৯ জন গ্রেপ্তার, তালিকা হচ্ছে কিশোর গ্যাং সদস্যদের নাচোলে পাল্টে যাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবার চিত্র পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তি উদ্যোগে সরকারি খাল খননে নতুন নির্দেশনা দিলো ভূমি মন্ত্রণালয় আরএমপি কমিশনার-রাসিক প্রশাসকের মধ্যে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক বিনিময় সরকার জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর : এমপি মিলন ক্ষুধা মেটাতে সন্তান বিক্রি করছেন আফগানরা সেবা প্রদান করা করুণা নয়, রাষ্ট্রের দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

গোদাগাড়ীতে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষে ৩ জন নিহত, আটক দুই

Paris
Update : মঙ্গলবার, ১১ জুলাই, ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পাকড়ী ইউনিয়নের মুসরাপাড়া ইয়াজপুর গ্রামে জমির বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গোদাগাড়ী থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, সোমবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। যাদের মধ্যে ১০ জন উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতরা হলেন, রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার ভাটাপাড়া এলাকার জিল্লুর রহমানের ছেলে সোহেল রানা ছোটন (৪৫), গোদাগাড়ীর বড়গাছী কানুপাড়া গ্রামের মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে মেহের আলী (৬৫) ও তার বড় ভাই নাইমুল (৭০)। আহত হলেন, ইউনুস আলী (২২), মো. আমু (২২), মো. রায়হান (৩৫), মনিরুল হক (৪৫), মো. সুলায়মান আলী (৫০) ও রজব আলী (৩৫)। তারা হাসপাতালের ৩১ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ওসি আরও বলেন, ইয়াজপুর মৌজায় সোহেল রানা ছোটনের ১৪ বিঘা জমি রয়েছে। মেহের আলী ও নাইমুল দুই ভাই জমিগুলো বরগা চাষ করে। ওই জমিগুলো বেশ কিছুদিন থেকে নিজের দাবি করে আসছে পাকড়ী গ্রামের আশিক আলী চাঁন। সকালে চাঁন তার দল-বল নিয়ে ওই জমি দখল করে চাষ করতে যায়। এ সময় তাদের বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষ বাধে। নিহত মেহের আলী ও নাইমুল আলীর ছোট ভাই আনসুর রহমান বলেন, আশিক আলী চাঁন জমিগুলো নিজের দাবি করে আসছিল। তিনি বিএমডিএতে চাকরি করেন। তিনি জমি দখল করার জন্য ভাড়াটে হিসেবে জালাল উদ্দিন ও তার দলবলকে নিয়ে যান। জালাল উদ্দিন পাকড়ি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও ওই ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। জালাল উদ্দিন নিজে নেতৃত্ব দেয় এই হামলায়। তারা তিনজনকে ঘটনাস্থলে পিটিয়ে হত্যা করে। যারা উদ্ধার করতে যায় তাদেরও তারা পিটিয়ে জখম করে। পাকড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ১৪ বিঘা জমি চাষ করে ভোগ দখল করে আসছে মেহের আলী ও তার ভাই। কিন্তু মোসড়াপাড়া ও ইয়াজপুর ওয়াকফ এস্টেটের মোয়াতাল্লীর পক্ষের জালাল মেম্বার, হায়দার আলী ও কামাল উদ্দীন নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন ১৪ বিঘা জমি থেকে মেহের আলীকে উচ্ছেদ করে দখল করতে গিয়ে সংঘর্ষের মারামারির ঘটনা ঘটে। গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আহতেেদর রাজশাহী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত তিনজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রামেকের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় নিহত তিনজনের পক্ষ থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ হত্যার আসামী হায়দারসহ দুইজনকে আটক করেছে। আটককৃত হায়দার আলী উপজেলা পাকড়ী মোসড় পাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris