সর্বশেষ সংবাদ
কুয়েত-বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের ইরানে রাতভর ভয়াবহ হামলা যুক্তরাষ্ট্রের এবার এফবিআইয়ের তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন রাস্তায় ও সিঁড়িতে জুমার নামাজ আদায় নিয়ে ইসলাম যা বলে ফিরলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোট সন্তান জন্মগ্রহণের সাথে একটি করে গাছ লাগানো আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কৃষিতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী  গৃহস্থলী পুকুরে নতুন স্বপ্ন সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ১৮ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে

বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন হুমকি ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ

Paris
Update : শনিবার, ১২ মার্চ, ২০২২

এফএনএস : শস্য, সার এবং শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয় রাশিয়া ও ইউক্রেনকে। কিন্তু করোনা মহামারির প্রভাব কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই এবার দেশ দুটির মধ্যে চলমান যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী খাদ্য সরবরাহ সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্ম বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা কমিটির প্রধান গ্যাব্রিয়েল ফেরেরো ডি লোমা-ওসোরিও বলেছেন, ‘করোনা মহামারির আগেও পরিস্থিতি ভালো ছিল না, ক্ষুধা ধীরে ধীরে বাড়ছিল। এর মধ্যেই মহামারি আঘাত হানে।’

মার্কিন সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) তিনি বলেন, ‘মহামারির আগের তুলনায় বর্তমানে নতুন করে অনাহারে পড়েছে ১৬ কোটির বেশি মানুষ।’ ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা খাদ্যের প্রাপ্যতা এবং দামের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে উল্লেখ করে গ্যাব্রিয়েল আরও বলেন, ‘আমাদের সতর্ক হতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার ওপর যুদ্ধের একটি বড় প্রভাব দেখতে পাচ্ছি।’ তিনি বলেন, দেশগুলোকে তাদের খাদ্য নিরাপত্তার ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশ তার প্রায় অর্ধেক গম ইউক্রেন ও রাশিয়া থেকে আমদানি করে। যদিও বিশ্বব্যাপী গম সরবরাহে এখন পর্যন্ত ব্যাঘাত ঘটেনি। কিন্তু ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার এক সপ্তাহ আগে থেকে পণ্যটির দাম ৫৫ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ গম ও বার্লি রফতানি হয় রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে। এ ছাড়াও ইউক্রেন ভুট্টা এবং সূর্যমুখী তেলের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী, যা খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১১ সালের পর থেকে দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা এসব পণ্যের সরবরাহ যুদ্ধের ফলে কমে যেতে পারে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris