যুবলীগ নেতা আশরাফুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ
মোহনপুর প্রতিনিধি : রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ধুরইল ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মোহনপুর মডেল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি যায়যায়দিন প্রত্রিকার মোহনপুর থানা প্রতিনিধি মো.আশরাফুল আলমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল) ঢাকায় এ প্রেরণ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে তাকে বিশেষায়িত এ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল নিয়ে গেছেন তার স্বজনরা।
তিনি গত ৭ জুলাই স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগ ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এবিষয়ে আশরাফুলের ছোট ভাই ডেন্টিস ডাঃ মতিউর রহমান গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার শারিরিক বিভিন্ন পরীক্ষা করেন। আশরাফুলের মাথায় জখমি জায়গায় অনেকগুলি সেলাই দিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। তার শরীরের ডান পাশ অবস হয়ে গেছে।
তিনি কাউকে চিনতে ও কথা বলতে পারছেন না। এমআরআই অব ব্রেইনসহ কয়েকটি পরীক্ষার মাধ্যমে জানা গেছে, তার মাথায় জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। দিন দিন তার শারিরীক অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে রামেক হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। সেখানে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ জুলাই বুধবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার ভীমনগর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটে। সেদিন দুপুরে জাহাঙ্গীর, সোহেল, বকুল, মুকুল মাস্টারের নেতৃত্বে প্রায় ৪০-৪৫ জনের সংঘবদ্ধ একটি দল দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে যুবলীগ নেতা ও সাংবাদিক আশরাফুলকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এ সময় আশরাফুল ও তার লোকজন লীজকৃত পুকুর পরিচর্যা করছিলেন। এসময় তারা আশরাফুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কয়েকটি আঘাত করে।
তাকে বাঁচাতে প্রতিবেশী শিরিনা বেগম ও সমতুল্লা এগিয়ে আসলে তাদেরও কুপিয়ে জখম করে তারা। এ ঘটনায় বাগবাজার গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মতিউর রহমান (২৯)কে মারধোর করা হয়েছে। আশরাফুলের বাড়িঘর ও মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আসামীরা পালিয়ে যান। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ওই এলাকায় পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মোহনপুর থানা পুলিশ কোন লিখিত অভিযোগ পায়নি।
