নওগাঁ প্রতিনিধি : খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিভ্রাটে বিব্রত বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। সোমবার বেলা ১১টায় অনলাইন প্লাটফর্ম জুম মিটিংয়ে ধানকাটা শ্রমিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ধানকাটা শ্রমিকদের বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জেলায় যেহেতু ধান কাটা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
তাই চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলা সহ অন্যান্য জেলা থেকে প্রয়োজন মতো শ্রমিক নিয়ে আসা যেতে পারে। তাদের যত্রতত্র না রেখে স্কুল ও কলেজে থাকার জন্য ব্যবস্থা করা যেতে পারে। শ্রমিকদের সার্বিক সহযোগীতার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন তিনি। এছাড়াও আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিটি উপজেলা ভিত্তিক কৃষির সঠিক তথ্য সংগ্রহের জন্য কৃষি অফিসকে নির্দেশনা দেন খাদ্যমন্ত্রী।
ধানকাটা শ্রমিক ব্যবস্থাপনা বিষয় ব্যবস্থা ছাড়াও করোনার বর্তমান পরিস্থিতি বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়। এসময় নওগাঁর জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদের সভাপতিত্বে নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সাংসদ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, নওগাঁ-৬ ( রানীনগর-আত্রাই) আসনের সাংসদ আনোয়ার হোসেন হেলাল, পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইব্রাহিম হোসেন, নওগাঁ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল বারী, সদর হাসপাতলের তত্ত্বাবধায় ডা. সাইদুল হক,
সিভিল সার্জন ডা. এবিএম আবু হানিফ, জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামছুল ওয়াদুদ, গণপূর্তের প্রকৌশলী আল মামুন হক, চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল সহ জেলার ১১টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। জেলায় এ বছর ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো আবাদ হয়েছে।