এফএনএস : এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তে নমুনা পরীক্ষা, নতুন রোগী শনাক্ত, মৃত্যু এবং সুস্থতা সবই বেড়েছে। এপিডেমিওলজিক্যাল ৯ম সপ্তাহের (২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ) সঙ্গে এপিডেমিওলজিক্যাল ১০ম সপ্তাহের (৭ মার্চ থেকে ১৩ মার্চ) তুলনামূলক বিশ্লেষণে এ চিত্র দেখা গেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে ১৪ দশমিক ৫২ শতাংশ নমুনা পরীক্ষা, ৬৭ দশমিক ২৭ শতাংশ নতুন রোগী শনাক্ত, ৪২ দশমিক ৪১ শতাংশ সুস্থতা এবং ৪৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ মৃত্যু বৃদ্ধি পেয়েছে।
গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত সময়ে এক লাখ ১ হাজার ৪৯৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ সময়ে ৩ হাজার ৮৯৩ জন রোগী শনাক্ত, ৫ হাজার ৮৫৯ জন সুস্থ এবং ৫১ জনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে ৭ মার্চ থেকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত সময়ে এক লাখ ১৬ হাজার ২৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
এসময়ে ৬ হাজার ৫১২ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত, ৮ হাজার ৩৪৪ জন সুস্থ এবং ৭৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এদিকে, গতকাল শনিবার টানা চতুর্থ দিনের মতো ১ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৯টি ল্যাবে ১৬ হাজার ২০৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪ জনের। এ সময়ে মারা গেছেন ১২ জন। তাদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী। বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, মৃত ১২ জনের সবাই ঢাকা বিভাগের।
নতুন করে ১২ জনের মৃত্যুতে এ নিয়ে দেশে এই মহামারিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৫২৭ জনে। মোট শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ লাখ ৫৬ হাজার ২৩৬ জনে। এদিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ১৩৮ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৫ লাখ ১০ হাজার ৩১০ জন।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত ও ১৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু হয়। ১৩ মার্চ পর্যন্ত মোট মরদেহের মধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ৪৫১ (৭৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ) এবং নারী দুই হাজার ৭৬ জন (২৪ শূন্য ৩৫ শতাংশ)।