২২ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi

মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চায় বাংলাদেশ

প্রকাশিত: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:২৪ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়
মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চায় বাংলাদেশ
বিজ্ঞাপন

এফএনএস : মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি উইন মিন্ট, ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিসহ শাসক দলের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার এক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে যে, বাংলাদেশ মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চায়। গতকাল সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ দৃঢ়তার সঙ্গে গণতান্ত্রিক নীতি অনুসরণ করে। আমরা আশা করি, মিয়ানমারে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং সাংবিধানিক ব্যবস্থা বহাল থাকবে। একই সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হিসেবে আমরা মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা দেখতে চাই। আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে অবিচল থেকেছি।

এ ছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করে চলেছি। আশা করি, এসব প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অব্যাহত থাকবে। গতকাল সোমবার ভোরে সেনাবাহিনী মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি উইন মিন্ট ও ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিসহ শীর্ষ নেতাদের আটক করে দেশটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এদিকে মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমার-বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে উপজেলার তুমব্রু, ঘুমধুম, চাকঢালা সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়িয়েছে বিজিবি।

গতকাল সোমবার সকাল থেকেই সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা বাড়িয়েছে বিজিবি। বিজিবি কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার জানিয়েছেন, সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থায় থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। উল্লেখ্য, মিয়ানমারে এক বছরের জরুরি অবস্থা জারি করে ক্ষমতা গ্রহণ করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। গতকাল সোমবার সকালে ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান অং সান সু চি, দেশটির প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ বেশ কয়েকজনকে আটকের পর পরই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন